• বুধবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫ রাত

মাহবুবে আলম : আমি আ.লীগের না হলে ১০ বছর অ্যাটর্নি জেনারেল কীভাবে

  • প্রকাশিত ১২:২৬ দুপুর অক্টোবর ২১, ২০১৮
মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলায় এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন
মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলায় এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

মাহবুবে আলম বলেন, ‘এভাবে প্রত্যেক অনুষ্ঠানে তারা বাধা সৃষ্টি করছে। সবশেষে আমি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় সংগীত প্রতিযোগীতার আয়োজন করলাম। কিন্তু স্কুলের হেড মাস্টারদের বলা হল তারা যেন ওই প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের না পাঠায়।’

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ‘আমি যদি আওয়ামী লীগ না হই তাহলে সরকার কি আমাকে ১০ বছর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে রেখেছে?’

গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী উপজেলার বেতকা চৌরাস্তায় এক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল এ কথা বলেন।

মাহবুবে আলম বলেন, ‘আজ থেকে ৩-৪ বছর আগে আমি যখন নির্বাচনে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলাম তখন প্রথমে কিছু ইউনিয়নে কম্বল বিতরণ শুরু করলাম। কিন্তু চেয়ারম্যানদের ভয়ভীতি দেখানো হয়। স্কুল কলেজে বই বিতরণ শুরু করলাম কিন্তু, স্কুল বন্ধ করে বা ছুটি দেওয়া হল। আমি আওয়ামী লীগ অফিসে কিছু টাকা দিতে চাইলাম। কিন্তু আমাকে অপমান করা হল। টাকা নিল না। আমি নাকি আওয়ামী লীগের না। আমি যদি আওয়ামী লীগ না হই তাহলে সরকার কি আমাকে ১০ বছর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে রেখেছে? পরে আমি পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে গণভোজ করলাম।’

মাহবুবে আলম বলেন, ‘এভাবে প্রত্যেক অনুষ্ঠানে তারা বাধা সৃষ্টি করছে। সবশেষে আমি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় সংগীত প্রতিযোগীতার আয়োজন করলাম। কিন্তু স্কুলের হেড মাস্টারদের বলা হল তারা যেন ওই প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের না পাঠায়।’

‘এভাবে বারে বারে আমাকে বাধা দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় নেতারা যারা আমার সাথে আছে তারা নাকি সবাই খারাপ মানুষ। কিন্তু ওনাদের সাথে থাকলে সেই নেতারা ভাল মানুষ।’

স্থানীয় সংসদ সদস্য  (এমপি) সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে ইঙ্গিত করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘নির্বাচন উনিও করতে চান, আমিও করতে চাই। কিন্তু আমিতো তার কোন কাজে বাধা সৃষ্টি করিনি। টংগিবাড়ীর ৭৫ ভাগ নেতাকর্মী আমার সাথে আছেন। আর লৌহজং এ প্রায় ৫০ ভাগ নেতা কর্মী আমার সাথে আছেন। আমি দলের ঐক্যকে জোর দেই বেশি। তৃণমূলের নেতাদের সাথে গোমস্তার মত আচরণ করলে হবে না। তারা দলের শেকড়। নতুন আওয়ামী লীগের নেতারা হচ্ছে পাতার মত। তারা ঝরে যাবে। শেকড় ঝরবে না। আমি নির্বাচিত হলে তাদের মূল্যায়ন করব।’

সভায় এস এম মোস্তাফিজুর রহমান জলিলের সভাপতিত্ত্বে আরো বক্তব্য রাখেন টংগিবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জগলুল হালদার ভুতু, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবু ইউসুফ ফকির প্রমুখ।