• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের গ্রেফতারে অনুমতি লাগবে

  • প্রকাশিত ১০:৩৬ রাত অক্টোবর ২৪, ২০১৮
জাতীয় সংসদ
ফাইল ছবি। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন।

আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে সেবা গ্রহণকে কোনো অর্থেই প্রজাতন্ত্রে কর্মে নিয়োগ বলে গণ্য করা যাবে না বলে আইনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে

ফৌজদারি অপরাধ করলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রেফতার করা জন্য সরকার কিংবা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমতি লাগবে। বুধবার সংসদের বৈঠকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ নামক এই বিলটি পাশ হয়েছে।

নতুন এই আইনে ফৌজদারি অপরাধ সংঘটনের দায়ে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে কোন সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।

এছাড়াও আইনটিতে সরকারি গেজেট আদেশ দ্বারা প্রজাতন্ত্রের যে কোনো কর্ম বা কর্ম বিভাগ সৃজন, সংযুক্তকরণ, একীকরণ, বিলুপ্তিকরণসহ যেকোনো ধরণের গঠন এবং পুনর্গঠন করার ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জারি করা এই আদেশের মাধ্যমে নিয়োজিত সরকারি কর্মচারীর কর্মের শর্তাবলির তারতম্য বা রদ করা যাবে। এমনকি আদেশের ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা প্রদান করা যাবে। এছাড়া প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিতদের নিয়োগ ও কর্ম সম্পর্কিত যেকোনো শর্ত নির্ধারণ করতে পারবে।    

এর পাশাপাশি আইনের ৩২ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের লঘু ও গুরুদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে সেবা গ্রহণকে কোনো অর্থেই প্রজাতন্ত্রে কর্মে নিয়োগ বলে গণ্য করা যাবে না বলে আইনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া নতুন এই সরকারি চাকরি আইনে কোনো বিদেশি নাগরিককে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত করা যাবে না এই মর্মেও বিধান রাখা হয়েছে।