• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৪ দুপুর

চাঁদাবাজির অভিযোগে ৭ পুলিশসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশিত ১০:৪৯ সকাল নভেম্বর ৮, ২০১৮
সিরাজগঞ্জ

বুধবার দুপুরে শাহাজাদপুর আমলী আদালতে মামলাটি করেন রূপবাটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি অ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব

সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে শাহজাদপুর থানার ৫ পুলিশ কর্মকর্তা ও দুই কনস্টেবল সহ ৫০জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ আদালতের পরিদর্শক মোঃ মোস্তফা কামাল মামলার ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার দুপুরে শাহাজাদপুর আমলী আদালতে মামলাটি করেন রূপবাটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি অ্যাড. হাবিবুর রহমান হাবিব। মামলায় শাহজাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক গোলজার হোসেন, উপ-পরিদর্শক সাচ্চু বিশ্বাস, উপ-পরিদর্শক সামিউল ইসলাম, সহকারী উপ-পরিদর্শক, মতিউর রহমান, আমজাদ হোসেন এবং কনষ্টেবল ময়নুল হক ও মোঃ সুমন সরদারসহ ৫০ জনকে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শাহজাদপুর থানার ওসির নির্দেশে গত ২ নভেম্বর রাতে একদল পুলিশ শেলাচাপড়ি গ্রামে অভিযান চালায়। অবৈধভাবে তারা বাদীর বাড়িতে অনুপ্রবেশ করে এবং ইউনিয়ন যুবলীগের সেক্রেটারী ছোট ভাই মিজানুরকে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে তার কাছে ৫ লাখ টাকার চাঁদা চায়। এরপরচাঁদা না পেয়ে তাকে বেধড়ক মারপীট ও তার স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করে পুলিশ। কোন ওয়ারেন্ট না থাকলেও হ্যান্ডকাপসহ তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। 

তবে, চাঁদাবাজি ও গ্রেফতার বাণিজ্যের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহজাদপুর থানার ওসি খাজা মোঃ গোলাম কিবরিয়া । তিনি বলেন, "আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানাযুক্ত আসামী মিজানকে গত ২ নভেম্বর রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে। আনার সময় মারপীট করে তার স্বজনরা তাকে ছিনিয়ে নেয়। হ্যান্ডকাপসহ সে এখনও ফেরার। এ ঘটনায় পুলিশ জ্ঞাত-অজ্ঞাত মিলে ৮২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিতে পুলিশের বিরুদ্ধে কাউন্টার মামলা করেছে।" 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু ইউসুফ বলেন একই ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, "এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা বা গাফলাতির বিষয় খুঁজে পাওয়া যায়নি।"