• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৬ দুপুর

১০৪ বছর ধরে আলো ছড়াচ্ছে নওগাঁর সবিতা চক্রবর্তী গ্রন্থাগার

  • প্রকাশিত ০৩:১৬ বিকেল নভেম্বর ২৬, ২০১৮
সবিতা চক্রবর্তী গ্রন্থাগার
নওগাঁর বালুভরা আর বি উচ্চ বিদ্যালয়ের সমৃদ্ধ সবিতা চক্রবর্তী গ্রন্থাগার। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন।

এই গ্রন্থাগারে মোট ৩ হাজার ৭শ ২৬টি বই রয়েছে

নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার ঐতিহ্যবাহি বালুভরা আর বি উচ্চ বিদ্যালয়ের সমৃদ্ধ সবিতা চক্রবর্তী গ্রন্থাগারটি দীর্ঘ ১০৪ বছর ধরে শিক্ষার্থী এবং জ্ঞানপিপাসুদের মাঝে আলো ছড়িয়ে আসছে। প্রাচীন এই গ্রন্থাগারটি এলাকার শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখে চলেছে।

এই গ্রন্থাগারের সহকারী গ্রন্থাগারিক মাসুদা আক্তার বলেন, "মাধ্যমিক পর্যায়ের আর কোন বিদ্যালয়ে এমন সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার আছে বলে আমার জানা নেই। এই গ্রন্থাগারে মোট ৩ হাজার ৭শ ২৬টি বই রয়েছে।" বইয়ের তালিকায় রয়েছে স্থানীয়, জাতীয় এবং বিশ্বখ্যতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের জীবনী, শিল্পী, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, দার্শনিক, ক্রীড়াবিদ, রাজনীতিবিদ, চলচ্চিত্রকার, চলচ্চিত্র শিল্পী, ইতিহাসবিদদের জীবনীসহ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন লেখা, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, উপন্যাস, নাটক নোভেল, কাব্যগ্রন্থ, রবীন্দ্র রচনাবলী, নজরুল রচনাবলী, ধর্মীয় গ্রন্থাবলী, গবেষনামুলক লেখা, শিশুতোষ লেখাসহ আরও নানা ধরণের বই। সাহিত্যের বিভিন্ন মাধ্যম এই গ্রন্থাগারটিকে করেছে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। 

এই গ্রন্থাগারের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক খ্যতিসম্পন্ন ব্যক্তিদের ছবির এক বিশাল গ্যালারী। গ্রন্থাগারের বইগুলোর মতই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলের শিক্ষা, সাংস্কৃতি, সাহিত্য, ক্রীড়া, রাজনীতি, শিল্পী, দার্শনিক, চলচ্চিত্র শিল্পী, চলচ্চিত্রকার, নাট্যকার, ঔপন্যাশিক, বিজ্ঞানী, রাষ্ট্রনায়কদের দুষ্প্রাপ্য সব ছবি এখানে চারিদিকের দেয়ালে সারিবদ্ধভাবে শোভা পাচ্ছে। ছবির এই গ্যালারীতে মোট ৩ শতাধিক ছবি ঠাঁই পেয়েছে। ছবির তালিকা আরও বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোত্তালেব হোসেন বলেন, "এরকম একটি গ্রন্থাগারসমৃদ্ধ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি গর্বিত বোধ করছি।" 

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সুকমল কর্মকার বলেন, "এই বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। একটি লাইব্রেরী এলাকার শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনে যথেষ্ঠ সহায়ক। কেবলমাত্র পুঁথিগত বিদ্যা মানুষকে জ্ঞানী করে না। জ্ঞান অর্জনে বই পড়ার কোন বিকল্প নেই।"