• সোমবার, আগস্ট ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৬ রাত

গ্রেফতারের পর 'বন্দুকযুদ্ধে' হত্যা মামলার আসামি নিহত

  • প্রকাশিত ০১:২২ দুপুর নভেম্বর ২৯, ২০১৮
বন্দুকযুদ্ধ

পোশাক শ্রমিক টিপুকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ টুকরা করে ফ্রিজে ভরে রাখে সে

আশুলিয়ায় আট টুকরো লাশ উদ্ধারের ঘটনার মুল হোতা বাবুল হোসেন মুন্সী (২৭) গ্রেফতারের পর পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে আশুলিয়ার নিশ্চিতপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

নিহত বাবুল মিয়া বরগুনা জেলার সোনাতলা থানার টেকনি গ্রামের বাবর আলী মুন্সীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত ১২ নভেম্বর সোমবার আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকার পোশাক শ্রমিক মেহেদী হাসান টিপুকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ আট টুকরা করে ফ্রিজে ভরে রাখে বাবলু মিয়া। পরে এ ঘটনায় বাবলুকে প্রধান আসামি করে নিহতের স্ত্রী শম্পা বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাবুল মিয়াকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর ভোর রাতে তার অনান্য সহযোগীরা ইয়ারপুর এলাকার মুন্নার বাঁশ বাগানে অবস্থান করছে, এমন খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাবুলের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

এর এক পর্যায়ে বাবুল গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাবেদ মাসুদ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, "গ্রেফতারের পর বাবুলকে নিয়ে অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে বাবুল গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে"।

তিনি আরও জানান, বাবুলের বিরুদ্ধে অন্য থানায় কোন মামলা রয়েছে কিনা বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে অন্য কোন থানায় মামলার তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য গত ১২ নভেম্বর আশুলিয়ার নিশ্চিতপুর থেকে মেহেদী হাসান টিপু নামে এক ব্যক্তির ৮ টুকরো মৃতদেহ উদ্ধার করেছিলো পুলিশ। তাকে অপহরন করে হত্যা করা হয়েছিলো।