• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

'মা'-এর মুক্তি চেয়ে রাস্তায় ভিকারুননিসার শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশিত ১২:২১ দুপুর ডিসেম্বর ৯, ২০১৮
শিক্ষিকার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন
শিক্ষিকার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন। ছবি: রাজীব ধর/ ঢাকা ট্রিবিউন

মুশফিকা মালিয়াত নামের এক শিক্ষার্থী ঢাকা ট্রিবিউনকে জানায়, তারা তাদের শিক্ষকের মুক্তি চায়। না হলে তারা ক্লাসে ফিরে যাবে না।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর 'আত্মহত্যার প্ররোচণার' অভিযোগে করা মামলায় কারাগারে থাকা শিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতে প্রতিষ্ঠানের একদল শিক্ষার্থী তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি করছে।  

আজ রোববার সকালে বেইলি রোডে অবস্থিত ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল শাখার প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ করে তারা। এসময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার মায়ের মুক্তি চাই’ বলে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
 
মুশফিকা মালিয়াত নামের এক শিক্ষার্থী ঢাকা ট্রিবিউনকে জানায়, তারা তাদের শিক্ষকের মুক্তি চায়। না হলে তারা ক্লাসে ফিরে যাবে না।

বিক্ষোভ চলাকালে উপস্থিত ছিলেন অনেক শিক্ষার্থীর বাবা-মাও। তাদের অনেকেই সমর্থন দিচ্ছেন সন্তানদের এই কর্মসূচীকে। অনেকেই আবার বলছেন, তাদের ক্লাসে ফিরে যাওয়া উচিৎ।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী গত সোমবার আত্মহত্যা করার পর থেকে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীরা সুষ্ঠু বিচারের সহ ছয় দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করে আসছিল। পরে বিক্ষোভ স্থগিত করে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার ঘোষণা দেয় তারা।

এর আগে, অরিত্রীর আত্মহত্যার ঘটনার তার বাবার দায়ের করা মামলায়ভিকারুননিসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও প্রভাতী শাখার প্রধান জিনাত আখতারএবং অরিত্রীর শ্রেণী শিক্ষিকা হাসনা হেনাকেআসামি করা হয়।এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তদন্তে অরিত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য তাদের চিহ্নিত করার পর বুধবার তিন শিক্ষককে বরখাস্ত, তাদের এমপিও বাতিল করা হয়। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পুলিশ ও র‍্যাবকে চিঠি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

রাতেই হাসনা হেনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ঢাকার মহানগর হাকিম আবু সাঈদ বুধবার এই শিক্ষকের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে নেওয়ার আদেশ দেন। পরবর্তীতেশিক্ষক হাসনা হেনার মুক্তির দাবিতেআন্দোলনে নামেওই প্রতিষ্ঠানেরইএকদল শিক্ষার্থী।