• শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৪৬ বিকেল

অবশেষে সীমান্ত থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে পাকিস্তানের নাম

  • প্রকাশিত ০৭:৩৪ রাত ডিসেম্বর ১৫, ২০১৮
ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি
সীমান্ত পিলার থেকে ‘পাকিস্তান’ নাম মুছে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বিজিবির উদ্যোগে এবং ব্যবস্থাপনায় সীমান্ত পিলার থেকে “পাকিস্তান” নামটি চিরতরে মুছে ফেলার কাজ প্রায় শেষ প্রান্তে

স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর সীমান্ত পিলার থেকে ‘পাকিস্তান’ নাম মুছে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি। 

বিজিবি’র (তৎকালীন ইপিআর) সদস্য ছিলেন এমন তিন জন মুক্তিযোদ্ধার সমাধি চিহ্নিত এবং সংষ্কার কার্যক্রম উপলক্ষে শনিবার এক আলোচনা সভা ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন ঠাকুরগাঁও বিজিবি’র সেক্টর কমান্ডার কর্নেল শামসুল আরেফিন।

৫০ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শীলাব্রত কর্মকার, ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বদরুদ্দোজা বদর প্রমুখ।   

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার এতোগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও  কিছু কিছু সীমান্ত পিলারের গায়ে এখনও ‘পাকিস্তান’ নাম খচিত ছিল যা বিভিন্ন কারণে সংশোধন করা হয়নি। সম্প্রতি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনায় বিজিবির উদ্যোগে এবং ব্যবস্থাপনায় সীমান্ত পিলার থেকে “পাকিস্তান” নামটি চিরতরে মুছে ফেলার কাজ প্রায় শেষ প্রান্তে। এরই অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও জেলার ৫০ বিজিবি এর আওতাধীন বাকী ৬ টি সাব পিলার এ গত ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে “পাকিস্তান” নামের লৌহ নির্মিত নাম ফলক পরিবর্তন করে বাংলাদেশ (বিডি) নামের লৌহ নির্মিত নাম ফলক স্থাপন করা হয়েছে।

একই সাথে ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে ধরে রাখতে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) এর উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত এবং শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা বিজিবি সদস্যদের কবর চিহ্নিতকরণ ও সংস্কারের উদ্যোগের কথা জানানো হয়। 

যাদের কবর চিহ্নিত করে সংষ্কার ও শ্বেত পাথরের নামফলক এবং সাইটেশন স্থাপন করা হয় তাঁরা হলেন, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার আতাউল হক,বীর বিক্রম নায়েব সুবেদার নাজিম উদ্দিন,বীর প্রতীক সুবেদার আহমেদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে শহীদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, বিজিবি’র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।