• রবিবার, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৪৭ রাত

খাগড়াছড়িতে নৌকার পক্ষে জনসংহতি সমিতির সমর্থন

  • প্রকাশিত ০৫:১০ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮
খাগড়াছড়ি জেএসএস
নৌকার পক্ষে জনসংহতি সমিতির সমর্থন। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

জনসংহতি সমিতি মনে করে, অদূর ভবিষ্যতে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে আন্তরিকতা পোষণ করবে আওয়ামী লীগ সরকার

দীর্ঘ দুই দশকেও পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হলেও এ অঞ্চলের রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি মনে করে, অদূর ভবিষ্যতে এই চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে আন্তরিকতা পোষণ করবে আওয়ামী লীগ সরকার। এমন আশাবাদ থেকেই জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা সমর্থিত) আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। 

রবিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি সদরের পানখাইয়াপাড়া মারমা উন্নয়ন সংসদ মিলনায়তনে মৌজা প্রধান (হেডম্যান) এবং গ্রাম প্রধান (কার্বারী)-দের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় জনসংহতি সমিতি-এমএন লারমা গ্রুপের শীর্ষ নেতারা আওয়ামী লীগের প্রতি নিজেদের সমর্থনের কথা জানান। 

পাহাড়ের বর্তমান পরিস্থিতিতে গেরিলা যুদ্ধ শুরুর পরিবেশ নেই জানিয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক প্রীতিময় চাকমা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আমরা হতাশ। এমন হতাশা থেকেই মাঝেমধ্যে জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা পাহাড়ে আবারও সশস্ত্র আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন। কিন্তু বর্তমানে সেই বাস্তবতা নেই। আমরা আশা করি, সরকারই পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করবে। এ কারণে জনসংহতি সমিতি এবার খাগড়াছড়ি আসনে কোনও প্রার্থী না দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবে।”

জনসংহতির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা বলেন, “ইউপিডিএফ এবার নির্বাচনে সিংহ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে। তাদের হিংস্র মানসিকতার সাথে প্রতীকের মিল রয়েছে।” পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের জন্য ইউপিডিএফ-কে দায়ী করেন তিনি। ইউপিডিএফকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যানের জন্য পাহাড়ি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান এই নেতা। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা গ্রুপের রাজনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক বিভূরঞ্জন চাকমা, কার্বারী এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রণিক কুমার ত্রিপুরা প্রমুখ।