• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৩৮ সন্ধ্যা

নোমান: হামলা পরিকল্পিত, প্রাণে বেঁচে গেছি

  • প্রকাশিত ১০:৪১ রাত ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮
নোমান
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি প্রার্থী নোমান। ছবি: ইউএনবি

পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে বিএনপির আট নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি নোমানের

চট্টগ্রাম-১০ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিজয় শোভাযাত্রা-পূর্ব সমাবেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইউএনবি'র প্রতিবদনে বলা হয়, রবিবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে মহানগরীর হালিশহর থানার নয়াবাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করে বিএনপির আট নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি নোমানের।

ঘটনার পর পরই নগরীর ভিআইপি টাওয়ারের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, "আমার ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি। প্রায় সময় মিছিল মিটিংয়ে প্রতিপক্ষ হামলা করেছে কিন্তু কখনো আমার ওপর হামলার সাহস দেখায়নি। এবার তারা প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র বের করে পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দলীয় নেতা-কর্মীরা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে সরিয়ে নেওয়ার কারণে এবার প্রাণে বেঁচে গেছি।"

এই বিএনপি নেতার অভিযোগ, "সরকার দলীয় প্রার্থী আবছারুল আমিনের সমর্থকরা ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুমন দেবনাথ ও এরশাদুল আমীনের নেতৃত্বে এ হামলা চালায়।"

তিনি আরও বলেন, "চার দিন আগেই সিএমপির বিশেষ শাখায় (সিটিএসবি) লিখিতভাবে এই কর্মসূচির ব্যাপারে জানানো হয়েছিল। আজ কর্মসূচিতে যাওয়ার আগেও ফোনে তাদের জানানো হয়। তারপরেও পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। হামলার সময় পুলিশ দূরে অবস্থান করলেও সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়নি।"

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নোমান বলেন, "বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন করার মতো কোনও পরিবেশ আমি দেখছি না।"

তবে হামলা মামলার পরেও নির্বাচন থেকে বিএনপিকে সরানো যাবে না বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে জনগণ নতুন চিন্তাভাবনা করবে। সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে প্রতিরোধে এগিয়ে আসবে।"

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা একরামুল করিম, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার সারোয়ার, কাজী বেলাল উদ্দিন, বিভাগীয় শ্রমিকদল নেতা এম নাজিম উদ্দিন, আব্দুল মান্নান, আহমেদুল আলম রাসেলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।