• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

ভোটারদের উৎসাহিত করতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ইভিএম প্রদর্শন

  • প্রকাশিত ০৫:২৫ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ২৫, ২০১৮
সেনাবাহিনী
সাতক্ষীরা সদর আসনে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

সেনা সদস্যরা সদর আসনের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দেওয়ার পদ্ধতিতে সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে অবহিত করছেন

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো দেশের ছয়টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর আসনে ১৩৭ টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম-এর মাধ্যমে ভোট দেবেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৮জন ভোটার। 

প্রথমবারের মতো ওই আসনে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট নেওয়া হবে বলে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। ফলে শুরু থেকেই ইভিএম নিয়ে কৌতুহল বিরাজ করছে ভোটারদের মধ্যে। জনগণের বিভিন্ন জল্পনা কল্পনা ও সংশয়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা করছেন সেখানকার ভোটারদের নতুন পদ্ধতিতে ভোটদানে উৎসাহিত করে তুলতে। 

জানা যায়, সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রত্যেককে দেওয়া হচ্ছে দু'দিনের প্রশিক্ষণ। পাশাপাশি, সাতক্ষীরা নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পোলিং অফিসারদের দেওয়া হচ্ছে একদিনের প্রশিক্ষণ। 

এছাড়া, সেনা সদস্যরা সদর আসনের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দেওয়ার পদ্ধতিতে সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে অবহিত করছেন। একাজে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ইভিএম প্রদর্শনী দেখতে দলে দলে আসছেন ভোটাররা। 

সদরে রাজার বাগান এলাকার হাবিবুল্লাহ বলেন, ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মনে জল্পনা কল্পনার অবসান হচ্ছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এলাকায় এলাকায় চলছে ইভিএম প্রদর্শন। এতে করে মানুষ ব্যাপক উৎসাহিত হচ্ছে। এর আগেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইভিএম প্রদর্শন করা হয়। ইভিএম পদ্ধতি সহজ ও সময় কম লাগায় ইতোমধ্যে জেলা সদরে সাড়া পড়েছে বলে মন্তব্য করেন ভোটাররা। 

সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে প্রশিক্ষণরত শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে খুব সহজেই ভোটদানের পদ্ধতি সম্পন্ন হয়। এ পদ্ধতিতে জাল ভোটের কোনও সুযোগ নেই। এমনকি কারচুপিরও সুযোগ নেই। জনগণের আস্থা অর্জনে এ পদ্ধতি সফল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

উল্লেখ্য, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সোমবার থেকে সারাদেশে মাঠে রয়েছেন সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও বিমানবাহিনী) সদস্যরা। রবিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকেই তাদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।