• সোমবার, আগস্ট ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪২ সকাল

গুজব ছড়ানোর অভিযোগে র‍্যাবের হাতে আটক ৮

  • প্রকাশিত ১০:১৯ সকাল ডিসেম্বর ২৯, ২০১৮
rab
সামাজিক যোগাযোমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর দায়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র‍্যাব। ছবি- সংগৃহীত

একটি গোষ্টী থেকে এরা ৪৭ লাখ টাকা অর্থায়ন পায়

ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর দায়ে ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র‍্যাব, যাদের মধ্যে ৩ জনের সঙ্গে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কোনও একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন কন্টেন্ট তৈরির জন্য তাদেরকে ৪৭ লাখ টাকা দেয়।

ঢাকার মগবাজার ও মৌচাক এলাকা থেকে এদের আটক করা হয় যাদের মধ্যে তিন জন সিমন শিল্পী দলের সদস্য যেটি পরিচালিত হয় শিবিরের অর্থায়নে। এ সময় বিপুল সংখ্যক ভিডিও তৈরির সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- মাহমুদুর হাসান (২৭), আবদুল্লাহ আল নোমান (২৬), আবদুল কাদের (২৪), মোরশেদুল ইসলাম (২২), সাইফুল ইসলাম মিঠু (২৯), দিদারুল ইসলাম (৩৫), আরিফুর রহমান (৩৪), মোতাহার হোসেন (২১)। 

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে র‍্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইং এর পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন এই গোষ্ঠীটি বহুদিন ধরে গুজব ছড়িয়ে আসছিল। র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং সেল সক্রিয়ভাবে এসব গুজব পর্যবেক্ষণ করছে। গোষ্টীটি বিভিন্নভাবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সচেষ্ট এবং নির্বাচনকে সামনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, র‍্যাব ইতোমধ্যে ৩৫ জনকে গুজব ছড়ানোর দায়ে গ্রেফতার করেছে। 

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, এই ৮ জনকে গতকাল রাতে গ্রেফতার করা হয়। তারা নিজেদের মতো করে ডকুমেন্টারি তৈরি করতো। এছাড়া তারা বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফেসবুক ও ইউটিউবে প্যারোডি গান প্রকাশ করতো। এদের মধ্যে তিন জন সিমন শিল্পী গোষ্টীর সদস্য ও বাকিরা এসব 'কন্টেন্ট' তৈরিতে সংশ্লিষ্ট। 

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানান, তারা নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এর আওতায় ১৫০টি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেসবুকে ও পেজে এসব ওয়েবসাইটের প্রচারণা চালায়। 

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, একটি গোষ্টী থেকে এরা ৪৭ লাখ টাকা অর্থায়ন পায়। তবে অর্থদাতার উৎস এখনো নিশ্চিত হওয়া যায় নি। আমরা এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু নাম পেয়েছি। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।   

তিনি আরও বলেন, তারা সাধারণত বাসা ভাড়া নিয়ে এসব 'কন্টেন্ট' বানাতো। এদের মধ্যে ৫ জন ঢাকার প্রসিদ্ধ কলেজের ছাত্র। তবে এদের সকলেই শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে তারা নিশ্চিত করেছে।