• বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪৯ সন্ধ্যা

ঢাকা ট্রিবিউনের সাংবাদিক গ্রেফতারে আসকের উদ্বেগ

  • প্রকাশিত ০৭:০২ রাত জানুয়ারী ২, ২০১৯
ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের খুলনা প্রতিনিধি মো. হেদায়েৎ হোসেন মোল্লাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঢাকা ট্রিবিউনের খুলনা প্রতিনিধি মো. হেদায়েৎ হোসেন মোল্লাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

'অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য বা সংবাদ পরিবেশনে ভুল সংশোধনের কিংবা ব্যাখ্যা প্রদানের সুযোগ দেওয়া যুক্তিযুক্ত'

ঢাকা ট্রিবিউনের সাংবাদিক হেদায়েৎ হোসেন মোল্যাকে গ্রেফতার এবং রিমান্ড প্রদানের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। বুধবার (০২ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ আসনে ঘোষিত ফলে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও মোট ভোটারের সংখ্যার পার্থক্য নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করায় দুজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন খুলনার বাটিয়াঘাটা উপজেলার নির্বাহী অফিসার। মামলার সূত্র ধরে ইতোমধ্যে একজন সাংবাদিককে গ্রেফতারও করা হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।


আরো পড়ুন: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঢাকা ট্রিবিউনের সাংবাদিক গ্রেপ্তার


আসকের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, "ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ধারাসমূহের ব্যাপকতা, ভুল বা ভ্রান্ত তথ্য প্রকাশের দায়ে সাংবাদিকদের গ্রেফতার করা, ১৪টি অপরাধ জামিন অযোগ্য ঘোষণা প্রভৃতি কারণে শুরু থেকেই নানা পর্যায়ে সমালোচিত হয়ে আসছে। সাংবাদিকরা এই আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রকে সংকুচিত করে তুলবে বলে বারংবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এই আইনের আওতায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতার প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের শঙ্কা আরও বৃদ্ধি করবে। অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনও ভুল তথ্য বা সংবাদ পরিবেশন করা হলে সেটির জন্য সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও তার প্রেক্ষিতে গ্রেফতার নয়, বরং ভুল সংশোধনের কিংবা ব্যাখ্যা প্রদানের সুযোগ দেওয়া যুক্তিযুক্ত। কেননা সাংবাদিকরা সাধারণত বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তাদের সংবাদ উপস্থাপন করে থাকেন।


আরো পড়ুন: 'সাংবাদিককে হাতকড়া পরানো সমর্থনযোগ্য না'


আসক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের প্রত্যাশিত ভূমিকা এবং সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এই ঘটনার বৃহত্তর প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে গ্রেফতার সাংবাদিককে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার এবং দুই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে"।