• বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২২ রাত

রংপুরে আগুন পোহাতে গিয়ে নিহত ২

  • প্রকাশিত ০১:২৩ দুপুর জানুয়ারী ৪, ২০১৯
fire
প্রতীকী ছবি

বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ১৫, বাড়ছে অগ্নিদগ্ধ রোগীর সংখ্যা

রংপুরে প্রচণ্ড শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে গত তিনদিনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন দুই নারী। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তারা। 

নিহতরা হলেন লালমনিরহাট জেলার কালিগজ্ঞ উপজেলার রাজিয়া বেগম (২৭) এবং একই জেলার আদিতমারী উপজেলার মোমেনা বেগম (৩২)।

রংপুরে গত তিনদিনে আগুন পোহাতে গিয়ে অন্তত ২০ জন নারী ও শিশু অগ্নিদগ্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে অন্তত ৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে একজনকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ঘুরে দেখা গেছে অগ্নিদগ্ধ রোগীদের বেশীরভাগই নারী এবং শিশু। বার্ন ইউনিটে পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে সার্জিকাল ওয়ার্ডের বারান্দায়ও রাখা হয়েছে অনেক রোগীদের।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাষ্টিক সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক  ডা. মারুফুল ইসলাম জানান, শীতের কবল থেকে রক্ষা পাবার জন্য আগুন পোহাতে গিয়ে অসাবধানতা বশত অগ্নিদগ্ধ হয়ে গত বছর ১২ জন মারা যায়। এবার এ পর্যন্ত ১৫ জন অগ্নিদগ্ধ রোগী ভর্তি হয়েছে। প্রতিদিনই যে হারে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে করে এবছর শীতে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। তিনি আরও জানান, তার ওয়ার্ডে মোট বেড সংখ্যা ২৬। অথচ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশী হওয়ায় বাধ্য হয়ে ফ্লোরে রাখতে হচ্ছে অনেক রোগীকে। 

ডা. মারুফুল ইসলাম জানান, দগ্ধ রোগীদের বেশীর ভাগেরই শরীরের নিচের অংশের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ ভাগ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। এদিকে প্রয়োজনীয় অনেক ঔষধের সরবরাহ না থাকায় আক্রান্ত রোগীদের ঠিকমতো ওষুধও দেয়া যাচ্ছেনা। অনেক হতদরিদ্র রোগীর স্বজনরা প্রয়োজনীয় ঔষধ কিনতেও পারছেননা। তবে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।