• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৬ রাত

চিরনিদ্রায় শায়িত সৈয়দ আশরাফ

  • প্রকাশিত ০৬:১৭ সন্ধ্যা জানুয়ারী ৬, ২০১৯
সৈয়দ আশরাফ কফিন
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ছবি: ফোকাস বাংলা

ময়মনসিংহে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় জানাজার পর বিকেলে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হয়

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

এর আগে ময়মনসিংহে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় জানাজার পর বিকেলে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা শেষে হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ কিশোরগঞ্জে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় সর্বজন শ্রদ্ধেয় এই রাজনীতিবীদকে।

দুপুর সোয়া একটার দিকে শোলাকিয়ায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নেন লাখো মানুষ। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান তারা।

এদিন সকালে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘর থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ সংসদ ভবনে নেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ১০টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ও ৭১’ এর এ গেরিলা যোদ্ধাকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।

জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও তাকে শ্রদ্ধা জানান। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানান।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সাল থেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন। ওই বছরেই চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়। তার অনুপস্থিতি সত্বেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের জনগণ নির্বাচিত করে সৈয়দ আশরাফ।

দেশে ফিরে শপথ নিতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছ থেকে সময় চেয়ে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নিয়তির বিধান মেনে না ফেরার দেশে চলে গেছেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সৈয়দ আশরাফ। গত বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।