• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৮ রাত

সুন্দরবন থেকে ৩০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার

  • প্রকাশিত ১২:৩২ দুপুর জানুয়ারী ৮, ২০১৯
সুন্দরবন

আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের হাতে হরিণের মাংস, চামড়া এবং মাথা উদ্ধার হলেও শিকারি চক্র রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলাধীন পশুর নদীর চিলা এলাকা থেকে সোমবার রাতে হরিণের ৩০ কেজি মাংস উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

এসময় শিকারিদের ব্যবহৃত একটি নৌকাও জব্দ করা হয়েছে। তবে, শিকারিচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে বনবিভাগ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহামুদুল হাসান জানান, গোপন সুত্রে খবর পেয়ে বন বিভাগের সদস্যরা চিলা এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় তারা একটি নৌকা চ্যালেঞ্জ করে। বন বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নৌকায় থাকা চারজনের একদল হরিণ শিকারি দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে নৌকা তল্লাশি করে হরিণের ৩০ কেজি মাংস উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, চারজনের ওই হরিণ শিকারি চক্র গোপনে সুন্দরবনে প্রবেশ করে। এরপর তারা দুই থেকে তিনটি হরিণ শিকার করে। হরিণ জবাই করার পর ওই মাংস নিয়ে শিকারিরা লোকালয়ে ফিরছিল।

ডিএফও মো. মাহামুদুল হাসান  বলেন, হরিণ শিকারি চক্রের ওই চার সদস্যকে বন বিভাগ চিহৃত করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার বিভিন্ন  গ্রামে।  তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, সুন্দরবন লাগোয়া, বাগেরহাটের মোংলা, মোড়েলগঞ্জ এবং শরণখোলা উপজেলায় হরিণ শিকারি চক্রের বেশ কিছু সদস্য সক্রিয় রয়েছে। তারা প্রায়াই সুন্দরবনে প্রবেশ করে হরিণ শিকার করার পর মাংস লোকালয়ে এনে বিক্রি করে। মাঝে মধ্যে বন বিভাগ এবং আইনশৃংখলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের হাতে হরিণের মাংস, চামড়া এবং মাথা উদ্ধার হলেও শিকারি চক্র রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।