• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৪ সকাল

ভেজাল বিরোধী অভিযান: পেনাংসহ বিভিন্ন হোটেলকে জরিমানা

  • প্রকাশিত ০৬:৪১ সন্ধ্যা জানুয়ারী ১৫, ২০১৯
court

অভিযান চলাকালে রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে পালিয়ে যাওয়ার কারণে মিতালী রেস্টুরেন্টকে সিলগালা করে দেওয়া হয়

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) চলমান খাদ্যে ভেজাল বিরোধী অভিযানে বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও মালিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানের তৃতীয় দিনে মঙ্গলবার করপোরেশনের পাঁচটি অঞ্চলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অঞ্চল-১ এর আওতাধীন গুলিস্তান বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এর হোটেল সোহেল এর মালিক মো. সোহেলকে ৩ দিনের, এরোমা স্নাকসের ম্যানেজার খালেদ মনসুরকে ৫ দিনের, ডেকো রেস্টুরেন্টের আব্দুল লতিফকে ৩ দিনের, মায়ের দোয়া হোটেলের ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলামকে ৩ দিনের এবং রমনা হোটেল ক্যান্টিনের ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলামকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এছাড়া রাজধানী হোটেলকে ২০ হাজার, পূর্ণিমা স্নাকসকে ৫০ হাজার, খাবার দাবার পিঠাঘরকে ১৫ হাজার, হাজী বিরিয়ানীকে ২৫ হাজারসহ মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অঞ্চল-২ এর আওতায় ফকিরাপুল এলাকার আল ইমাম হোটেলের ব্যবস্থাপক আব্দুল জলিলকে ৩ দিনের কারাদণ্ড, অভিযান চলাকালে রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে পালিয়ে যাওয়ার কারণে মিতালী রেস্টুরেন্টকে সিলগালা করে দেওয়া এবং এশিয়া গার্ডেন রেস্টুরেন্টকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল-৩ এর আওতাধীন এলাকার পেনাং রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা, পেনা থাই এন্ড চাইনিজ রেঁস্তোরাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অঞ্চল-৪ এর নবাবপুর এলাকার আদি মরণচাঁদ মিষ্টান্ন ভান্ডারের ব্যবস্থাপক মো. মিজানুর রহমান এবং মো. মোকাম্মেল হক প্রিন্সকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

অঞ্চল-৫ এর যাত্রাবাড়ী এলাকার নান্না রেঁস্তোরার ম্যানেজার কবীর হোসেনকে ৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া ফুটপাথ দখল করে ব্যবসা করায় ফল বিক্রেতা মো. ইলিয়াস, মো. চান মিয়া ও সাদ্দাম হোসেনকে ৫ হাজার টাকা করে, কসমেটিক্স সামগ্রী বিক্রেতা মো. শফিকে ৪ হাজার টাকা এবং নিউ সুপার নান্না রেস্টুরেন্ট ও আল ইসলাম বিরিয়ানি হাউজকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ধারা ৫১ এব ৫৩ অনুযায়ী এসব শাস্তি দেয়া হয়।