• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

বিএসএফের ফেলে যাওয়া শটগান ফেরত দিয়েছে বিজিবি

  • প্রকাশিত ০৩:৪৭ বিকেল জানুয়ারী ১৯, ২০১৯
বিএসএফ-বিজিবি
বিএসএফ-এর ফেলে যাওয়া শটগান, গুলি এবং ওয়াকিটকি শনিবার ফেরত দেয় বিজিবি। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

ভারতীয় সীমান্তে অতিরিক্ত বিএসএফ মোতায়েনের পর বিজিবিও সতর্ক অবস্থান নেয়

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর সীমান্তে গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে অস্ত্র ফেলে পলানোর ঘটনায় বিজিবি-বিএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়েছে। উভয় পক্ষের আলোচনা শেষে বিএসএফের ফেলে যাওয়া একটি শটগান, গুলি ও ওয়াকিটকি বিএসএফকে ফেরত দেয় বিজিবি।    

শনিবার(১৯ জানুয়ারি ) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রংপুর-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল শরীফুল ইসলাম ও ভারতীয় বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন কুচবিহার-১৪৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল বানারম্বর শাউ। 

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মুংলিবাড়ী সীমান্তের ৮৪১ নম্বর মেইন পিলারের ৬ নম্বর সাবপিলার এলাকায় ঢুকে পড়ে দুই বিএসএফ সদস্য। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা শুরু হয়। ভারতীয় সীমান্তে অতিরিক্ত বিএসএফ মোতায়েনের পর বিজিবিও সতর্ক অবস্থান নেয়। 

আরও পড়ুন- বুড়িমারী সীমান্তে গ্রামবাসীর ধাওয়ায় শটগান ফেলে পালালো বিএসএফ

রংপুর-৬১বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী কোম্পানী কমান্ডার ইব্রাহিম মিয়া ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মুংলিবাড়ী সীমান্তের কয়েকজন গরু চোরকারবারী ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করে। ভারতের কোচবিহার-১৪৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের চ্যাংরাবান্ধা কোম্পানি সদরে টহলরত দুইজন বিএসএফ সদস্য চোরকারবারীদের ধাওয়া করতে করতে বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধভাবে  অনুপ্রবেশ করে স্থানীয় মুংলীবাড়ী এলাকার আজিমুদ্দিনের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করলে একটি ‘এসএলআর’ শটগান ও ওয়াকিটকি  ফেলে পালিয়ে যায় বিএসএফ সদস্যরা।’’

এ ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে দুপুরে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহবান করে বিজিবি। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

পতাকা বৈঠক শেষে রংপুর-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘‘শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বুড়িমারী জিরো পয়েন্টে বিএসএফের চেক পোস্টে উভয় পক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়। অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে এবং অনাকাঙ্খিত এই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে অঙ্গীকার করেছে বিএসএফ। তাদের ফেলে যাওয়া একটি শটগান, শটগানের একটি তাজা গুলি ও একটি একটি ওয়াকিটকি ফেরত দেওয়া হয়েছে।’’