• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৬ দুপুর

চিকিৎসায় অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৩:২১ বিকেল জানুয়ারী ২১, ২০১৯
ময়মনসিংহ

মৃত নবজাতকের পিঠের চামড়া উঠানোসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে

ময়মনসিংহের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নবজাতককে মেরে ফেলার অভিযোগ করেছে প্রসূতির পরিবার।  এই ঘটনায় তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।

রবিবার (২০ জানুয়ারি) রাতে মহানগরীর কৃষ্টপুর আলিয়া মাদরাসা রোডের পরশ প্রাইভেট হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ইউএনবি।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- হাসপাতাল মালিক রেজাউল করিম মুরাদ, আরিফুর রহমান ও মেহেদি হাসান

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুরুল আলম বলেন, "পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে"।

নবজাতকের পিতা হারুন অর রশিদ জানান, রবিবার সকাল থেকেই তার স্ত্রী জান্নাতের প্রসব বেদনা শুরু হয়। রাত ১১টার সময় প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে ওই প্রাইভেট হাসপাতালে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে জান্নাতকে ভর্তি করানো হয়।

তিনি দাবি করেন, ভর্তি করার পর কোনোরকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করেই রাত ১২টার সময় সিজারের মাধ্যমে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেয় জান্নাত। আধা ঘন্টা পর পরিবারের হাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তুলে দেয় মৃত পুত্র সন্তান। এ সময় নবজাতকের পিঠের চামড়া উঠানোসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

অপারেশন থিয়েটারে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আঘাতের কারণে ওই নবজাতক মারা গেছে অভিযোগ করে পরিবারের লোকেরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, জান্নাতের গর্ভের সন্তান ২/৩ দিন আগে থেকেই মৃত ছিল।

পরশ প্রাইভেট হাসপাতালের পরিচালক রেজাউল কবির মুরাদ জানান, "প্রচন্ড প্রসব ব্যথা নিয়ে জান্নাতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিজারের মাধ্যমে চিকিৎসক ২/৩ দিন আগেই মৃত বাচ্চা বের করে আনেন"।  

এখানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা নেই বলেও জানান তিনি।

ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন ডা. একেএম আব্দুর রউফ জানান, পরশ প্রাইভেট হাসপাতালের সরকারি কোনো রেজিস্ট্রেশন নাই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।