• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৭ বিকেল

উৎকোচ নেওয়ার পর মিথ্যা মামলা, এসআইকে আদালতে তলব

  • প্রকাশিত ০৯:৫১ রাত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯
পুলিশ
প্রতীকী ছবি

একইসঙ্গে কেন তার বিরুদ্ধে আসামির ভাই সুমন শাহর কাছ থেকে উৎকোচ নেওয়ার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় এক ব্যক্তিকে আটক করে তার ভাইয়ের কাছে থেকে উৎকোচ নিয়ে পরে আবার ইয়াবা দিয়ে আটক ব্যক্তির নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার জেরে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দুর্গাপুর থানায় কর্মরত অভিযুক্ত এসআই-কে ।

বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান তালুকদার এই আদেশ দেন।

ভুক্তভোগী ব্যক্তির নাম মো. সুজন (৩৫)। তার বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বাজুখলসী গ্রামে। পুলিশ তাকে গত মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) তার বাড়ি থেকে আটক করে।

নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে সুজনের ভাই সুমন শাহ বলেছেন, ভাইকে মারধর না করা এবং মামলা না দেওয়ার শর্তে এসআই মাসুদ রানা তার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচ নেন এবং পরে ১৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার দেখিয়ে সুজনের নামে মিথ্যা মামলা দেন। আদালতে এই এফিডেভিট দাখিলের পর নির্দোষ দাবি করে সুজনের জামিন প্রার্থনা করেন তার আইনজীবী।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি জানার জন্য এবং আসামির কাছ থেকে ইয়াবা না পাওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে কেন মামলা করা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে দুর্গাপুর থানার এসআই মাসুদ রানাকে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে কেন তার বিরুদ্ধে আসামির ভাই সুমন শাহর কাছ থেকে উৎকোচ নেওয়ার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সুজনের জামিন শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এ ব্যাপারে এসআই মাসুদ রানা তার বিরুদ্ধে আনা এফিডেভিটের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সুজন একজন প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ী। এর আগেও সে পুলিশের অভিযানের সময় পালিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, অনেক মানুষের সামনেই তাকে ধরা হয়েছে। পুলিশ দেখে সে পালিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করেই ইয়াবা পাওয়া যায়।