• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণ: আতঙ্কে সীমান্তের রোহিঙ্গারা

  • প্রকাশিত ০৪:১০ বিকেল ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯
বিজিপি
সীমান্তে টহলরত এক বিজিপি সদস্য। ফাইল ছবি (এএফপি)

নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে গুলির শব্দে রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে

বান্দরবান সীমান্তবর্তী এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি)-র অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে শতাধিক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের নোম্যান্স ল্যান্ডে থাকা রোহিঙ্গাদের মাঝে। তবে ওই আওয়াজের কারণ ফাঁকা গুলিবর্ষণ, নাকি কোনও সংর্ঘষের কারণে হয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ (বিজিবি)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রোহিঙ্গাদের মাঝে। ঘুমধুম ইউনিয়নের ইউপি সদস্য দিল মোহাম্মদ ভুট্টো ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, মিয়ানমারের বিজিপি’র কয়েকটি অস্থায়ী পোস্ট ও ক্যাম্প থেকে শতাধিক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের আওয়াজ শুনেছি। এতে সীমান্তের স্থানীয় বাসিন্দা ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ১৭ ব্যাটেলিয়নের মেজর ইকবাল বলেন, তুমব্রুর ৩৪-৩৬ পিলারের বিপরীতে মিয়ানমারের মোট ৯টি পোস্ট এবং একটি ক্যাম্প রয়েছে। কয়েকটি পোস্ট থেকে ভোররাতে ফায়ারিং হয়েছে। আনুমানিক ১২০ থেকে ১২৫ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে। তবে সেগুলো ফাঁকা গুলি নাকি বিবাদমান কোনও পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের গোলাগুলি তা জানা যায়নি। তবে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে জানা যেত। মাঝে মাঝে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড সিকিউরিটি ফোর্স এমনিতেই ফায়ার করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের উদ্দেশ্যে বা নোম্যান্স ল্যান্ডে থাকা মানুষকে ভয়-ভীতি দেখানোর জন্যই এই ফায়ারিং করা হয়েছে, এমন ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। বিজিবি ঘটনাস্থলে আছে। 

এদিকে, এই গুলিবর্ষণের কারণ জানতে চেয়ে বিজিপির কাছে প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছে বিজিবি।