• রবিবার, মে ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২১ সকাল

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার সম্পত্তি দখল চেষ্টার অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৭:০৩ রাত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯
বগুড়া মুক্তিযোদ্ধা
মঙ্গলবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলের অভিযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

সম্পত্তি ও পরিবারের সুরক্ষায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেন এই মুক্তিযোদ্ধা

বগুড়ার নন্দীগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোসলেম উদ্দিনের নিজ জমিতে নির্মিত মার্কেট ভাঙচুর এবং দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। দখলে বাধা দেওয়ায় দখলদাররা তার দুই মেয়ে এবং স্ত্রীকে মারধর করেছে বলেও জানা গেছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা চেয়ে মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মোসলেম উদ্দিন।

গত ৩১ জানুয়ারি নন্দীগ্রাম সহকারি জজ আদালতে সিরাজুল ইসলামসহ জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে মামলাও (নং-২৩/১৯) করেন মোসলেম উদ্দিন। আদালত শুনানি শেষে সম্পত্তিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিজস্ব ৫ শতক ও  পৈতৃক সম্পত্তির কিছু অংশ মিলিয়ে ১৯৮২ সালে একটি মার্কেট নির্মাণ করেন। মার্কেটের একটি ঘর নিজের জন্য রেখে বাকি সাতটি ভাড়া দিয়েছেন তিনি। 

১৯৬৯ সালের ১১ মার্চ তার পৈতৃক ৯১ শতক সম্পত্তি স্থানীয় মুনছুর হোসেনের সাথে এওয়াজ বদল করেন। কিন্তু মুনছুরের দাদা ১৯২৭ সালে ওই সম্পত্তি অন্যের কাছে বিক্রি করেছিলেন। এতে এওয়াজ দলিল ভঙ্গ হয়। ওই ৯১ শতক সম্পত্তির অবস্থান মার্কেটের পূর্ব পাশে। 

গত ২৯ জানুয়ারি নন্দীগ্রাম মুনছুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামসহ অন্যরা এসে তাকে বের করে দিয়ে মার্কেট দখলের চেষ্টা করেন। বাধা দিলে তারা হুমকি দিয়ে চলে যান। 

তার অভিযোগ, অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য, অর্থ আত্মসাৎ ও অন্যান্য দুর্নীতিতে জড়িত। হুমকি পেয়ে গত ৩১ জানুয়ারি মামলা করতে থানায় গেলে সেই সুযোগে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে মার্কেট ভাঙচুর করেন অধ্যক্ষ সিরাজুল। বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা মোসলেমের দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে মারপিট করে। 

মোসলেম আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা বিভিন্ন সময় তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিয়ে আসছে। সম্পত্তি ও পরিবারের সুরক্ষায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেন এই মুক্তিযোদ্ধা।

এ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম জানান, ওই সম্পত্তি কলেজের। মুক্তিযোদ্ধা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মিথ্যাচার করছেন। কোনও ভাঙচুর, হুমকি বা তার পরিবারের কাউকে মারধর করা হয়নি।