• সোমবার, মে ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী: এপ্রিলের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থানান্তরের কাজ শুরু

  • প্রকাশিত ০৭:৩২ রাত মার্চ ৩, ২০১৯
রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির। ছবি: মাহমুদ হোসাইন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন(ফাইল ছবি)।

যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটে সহায়তা হিসেবে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলার দিচ্ছে

আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে স্থানান্তরের কাজ শুরু হবে বলে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

রবিবার বিকালে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান বলে ইউএনবির একটি খবরে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র রবিবার রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটে সহায়তা হিসেবে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচিতে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ডলার দিচ্ছে ‌‌বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, "এ অর্থ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় ঘোষিত ২০১৯ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যানের (জেআরপি) জন্য দেয়া ৬ কোটি ডলারের অতিরিক্ত। এতে করে ২০১৯ সালের জেআরবিতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার অংক দাঁড়ালো সাড়ে ১০ কোটি ডলারে।"

প্রতিমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা দানকারী দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শীর্ষে। ২০১৭ সালের আগস্টে সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এজন্য মোট প্রায় ৫০ কোটি ডলার দিয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ কোটি ডলারের মতো ছিল বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের আশ্রয় দেয়া স্থানীয় মানুষদের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাবদ।

তিনি বলেন, "আজ দেয়া যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জীবন রক্ষাকারী খাবারের সংস্থান করা হবে। এতে করে বিদ্যমান মানবিকতার পরিমাণ বাড়ানো যাবে। এসবের মধ্যে থাকবে স্থানীয় বাজার থেকে খাবার কেনার জন্য ভাউচার সুবিধা, জীবন রক্ষা করার জন্য  বর্ষা ও   ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্তুতি এবং অসহায় শিশু আর গর্ভবতী ও প্রসুতি নারীদের জন্য পুষ্টির ব্যবস্থা করা।"

বাড়তি এই তহবিল বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১০ লাখের বেশি শরণার্থী বাংলাদেশের স্থানীয় এলাকাবাসী এবং মিয়ানমারের অভ্যন্তরে তথা এ অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া  মানবিক সহায়তার পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। এ সহায়তার আওতায় তাদের জন্য সুরক্ষা, জরুরি আশ্রয়, খাদ্য, পুষ্টি, পানীয় জল, সেনিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা, মনোসামাজিক সহায়তা ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।