• শনিবার, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:২৮ সন্ধ্যা

মার্চেই পদ্মা সেতুতে বসছে আরও দুটি স্প্যান

  • প্রকাশিত ০৮:০১ রাত মার্চ ৪, ২০১৯
পদ্মা সেতু
নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্ত। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

২০২০ সাল নাগাদ সেতুর কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন প্রকৌশলীরা

দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ। এরই মধ্যে জাজিরা প্রান্তে সাতটি স্প্যান স্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে এবং মাওয়া প্রান্তে একটি স্প্যান অস্থায়ীভাবে রাখা আছে। চলতি মাসেই আরও দুটি স্প্যান বসানোর কথা রয়েছে। এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি এবং মাসের শেষের দিকে আরেকটি স্প্যান বসানো হতে পারে। স্প্যান ৬ ডি বসবে জাজিরা প্রান্তে ৩৪ ও ৩৫ নম্বর পিলারে ও স্প্যান ৬ সি বসবে ৩৩ ও ৩৪ নম্বর পিলারে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পদ্মা সেতুর এক সহকারি প্রকৌশলী ঢাকা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। 

পদ্মা সেতুর মোট ৪২টি পিলারের ওপর ৪১ টি স্প্যান বসবে। তার মধ্যে মোট ২০টি স্প্যান ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এসেছে। মুন্সীগঞ্জের মাওয়ার কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে স্প্যানের টুকরো অংশগুলো জোড়া লাগিয়ে রঙ করা হয়। পরে সেখান থেকে 'তিয়ান-ই' নামের ক্রেনে করে বহন করে পিলারের ওপর বসানো হয়। ২০টি স্প্যানের মধ্যে জাজিরা প্রান্তে সাতটি স্প্যান বসানো হয়েছে, মাওয়া প্রান্তে অস্থায়ীভাবে একটি স্প্যান পিলারের ওপর রাখা হয়েছে। কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ৭ টি স্প্যানের 'অ্যাসেম্বল' করা হয়েছে, ২টি স্প্যানের রঙ করা শেষ। আর বাকি স্প্যানগুলো 'অ্যাসেম্বল' করা প্রক্রিয়াধীন আছে। 

এ বিষয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সহকারি প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, পিলারে নকশা জটিলতার কারণে কাজের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন আনতে হয়েছে। তবে, এখন কোনও জটিলতা নেই। তাই, মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে পুনরায় কাজের ধারাবাহিকতা ফিরে আসবে। মূলসেতুর ৭৩ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। সেতুর কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ হবে।

এদিকে, সেতুর প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর রোডওয়ে স্লাব বসানোর কাজ এ মাসেই শুরু হবে। সেতুতে মোট রোডওয়ে স্লাব বসবে ২৯৩১ টি। এরমধ্যে ৪৫০ টি স্লাব তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। অন্যদিকে, রেলওয়ে স্লাব বসবে মোট ২৯৫৯ টি। যার মধ্যে ১৫২০ টি স্লাব তৈরির কাজ শেষ হয়েছে এবং ১৯২ টি স্লাব বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। 

সূত্র আরও জানায়, মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে ২০টি পিলারের কাজ শেষ হয়েছে এবং মোট পাইল ড্রাইভিং হয়েছে ২১৯টি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পদ্মা সেতুর কাজের সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছিল। কর্তৃপক্ষ এক বছরের জন্য সময় বৃদ্ধি করেছে। তবে, প্রকৌশলীদের আশা, ২০২০ সাল নাগাদ সেতুর কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।