• মঙ্গলবার, আগস্ট ০৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৪৯ সন্ধ্যা

কোটা আন্দোলন নেতা নুর : নির্যাতন থেকে বাঁচতেই সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি

  • প্রকাশিত ০৯:৩৩ রাত মার্চ ৭, ২০১৯
নুরুল হক নুর
ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

ডাকসু নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে থাকা ভিপি পদপ্রার্থীরা ঢাকা ট্রিবিউন কে দিয়েছেন বিশেষ সাক্ষাৎকার। তৃতীয় কিস্তিতে প্রকাশিত হলো কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক ও ভিপি প্রার্থী নুরুল হক নুর এর সাক্ষাৎকার

দীর্ঘ ২৮ বছর পর আগামী ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বহুল প্রতীক্ষিত এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোটজন ২২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে আলোচনার শীর্ষে থাকা সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থীরা ঢাকা ট্রিবিউন কে দিয়েছেন বিশেষ সাক্ষাৎকার। তৃতীয় কিস্তিতে প্রকাশিত হলো ঢাকা ট্রিবিউন সাংবাদিক আহমেদ সার্জিন শরীফকে দেয়া কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক ও ভিপি প্রার্থী নুরুল হক নুর এর সাক্ষাৎকার। 

ঢাকা ট্রিবিউন: নির্বাচনের পরিবেশ কেমন মনে হচ্ছে?

নুর: ডাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি একটু অন্যরকম ছিল। তবে এখন মনে হচ্ছে পরিস্থিতি কিছুটা নির্বাচন উপযোগী।অংশগ্রহনকারী ছাত্র সংগঠনগুলো ক্যাম্পাসে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে এই অবস্থা কতদিন বজায় থাকবে সে বিষয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ, এর আগেও আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন হামলা চালিয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তদের কোনও বিচার করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা ট্রিবিউন: আপনি একটি ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে আপনাদের ওপর বারবার হামলার অভিযোগ করে এসেছেন। কেন আপনারাই বারবার হামলার শিকার হচ্ছেন?

নুর: বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আমরা আন্দোলন করেছি। এ কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে তাদের হৃদয়ে জায়গা দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের এমন অবস্থানের ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেদের অস্তিত্ব সঙ্কটের শঙ্কা থেকে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্রসংগঠন বারবার বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদের ওপর হামলে পড়েছে।

ঢাকা ট্রিবিউন: রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন না হয়েও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

নুর: ডাকসু নির্বাচনের ইতিহাসে সম্ভবত এবারই প্রথম স্বতন্ত্র তিনটি প্যানেল অংশ নিয়েছে। আমরাও অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে অংশ নিয়েছি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আমাদের নিয়ে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করেছি। কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলোকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কখনও তাদের পাশে পান না। বিপরীতদিকে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের বড় বড় দাবিগুলোতে আমরা তাদের পাশে থেকেছি। সেদিক বিবেচনা করেই তারা আমাদের পাশে থাকবেন বলে মনে করি।

ঢাকা ট্রিবিউন: ছাত্র শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ছাত্রদল বৈঠক করে আপনাদের সঙ্গে জোট না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে একটি গণমাধ্যমে খবর এসেছে। এ বিষয়ে আপনি কী বলবেন?

নুর: এমন অভিযোগের কোনও প্রমাণ নেই। এটা এক ধরনের অপপ্রচার। এর শুরু হয়েছে মূলতঃ কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন সরকারের একাধিক মন্ত্রী-এমপি সেটাকে ‘জামাত-বিএনপির উসকানির আন্দোলন’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ওই আন্দোলনে আমাদের নেতা-কর্মীদেরকে ধরে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাদের বিরুদ্ধে জামায়াত সংশ্লিষ্টতার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একাধিক আন্দোলনে আমাদের সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আমাদের বড় ধরনের গ্রহনযোগ্যতার সৃষ্টি হয়েছে। সে কারণেই কিছু ছাত্রসংগঠন ভয় পেয়ে আমাদের বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাছাড়া শিবিরের রাজনীতি তো একপ্রকার নিষিদ্ধই, সেখানে তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার প্রশ্নই ওঠে না।

ঢাকা ট্রিবিউন: বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা মঞ্জুর সঙ্গে আপনাদের যোগাযোগ রয়েছে, এটা কতখানি সত্যি?

নুর: একটি অখ্যাত অনলাইন পত্রিকা এ ধরনের একটা প্রতিবেদন করেছিল। এরা এমনিতেও অনেক বেফাঁস প্রতিবেদন করে থাকে।সেখানে বলা হয়েছিল- “কোটা আন্দোলনের দুই নেতার সঙ্গে বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা মঞ্জুর যোগাযোগ রয়েছে”। অথচ তারা কিন্তু নির্দিষ্ট করে কারও নাম উল্লেখ করেনি। এটা তাদের নৈতিকতা বর্জিত, অপসাংবাদিকতার বহিঃপ্রকাশ।

ঢাকা ট্রিবিউন: ওই প্রতিবেদন ভিত্তিহীন হয়ে থাকলে আপনারা কোনও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছিলেন?

নুর: দেখুন, ওই প্রতিবেদনে আমাদের কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। সারাদেশে অসংখ্য শিক্ষার্থী কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিয়েছে।তারপরেও ওই পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা একটা প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছি। তবে এমন ভিত্তিহীন সংবাদে মাথা ঘামিয়ে সময় নষ্ট করতে চাই না।

ঢাকা ট্রিবিউন: ডাকসুতে আপনারা পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেননি। নেতৃত্বে কোনও সঙ্কট রয়েছে কি?

নুর: না, না আমরা তো পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছি। তবে প্রথমদিন তাড়াহুড়া করে ঘোষণা দেওয়ার কারণে ১৯ জনের নাম জানানো হয়েছিল।পরে সেটা ঠিকঠাক করে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলেরই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।


আরও পড়ুন- লিটন নন্দী: প্রশাসন একধরনের প্রভু, আর ছাত্ররা যেন দাস


ঢাকা ট্রিবিউন: হল সংসদে আপনাদের অবস্থা কেমন?

নুর: যেহেতু আমরা এখনও সেভাবে কোনও ছাত্রসংগঠন হিসেবে এখনও গড়ে উঠতে পারিনি, সেহেতু আমরা হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে সক্ষম হইনি। জগন্নাথ হলে আমরা কোনও প্রার্থী দেইনি। এছাড়াও কৌশলগত কারণে কিছু কিছু হলে আমাদের সমর্থিত প্রার্থীরা সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের হয়ে লড়ছেন।

ঢাকা ট্রিবিউন: নির্বাচিত হলে কী কী করবেন?

নুর: আমরা বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলে আসছি। আমরা দেখেছি হলগুলোতে চলমান অপরাজনীতি যেমন- রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহনের বিনিময়ে সিট দেওয়া, গণরুম-গেস্টরুমের নির্যাতন বন্ধ, প্রথম বর্ষ থেকেই হলে সিটের নিশ্চয়তা, পরিবহন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা, ক্যান্টিন-ক্যাফেটেরিয়ায় ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের চাঁদাবাজি বন্ধ, লাইব্রেরিগুলোর আধুনিকায়ন এবং পরিসর বৃদ্ধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধিসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক দাবি নিয়ে কাজ করব। তবে আমরা নির্বাচিত হয়ে গেলেই যে সব করতে পারব বিষয়টা এমন না। আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ না থাকার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা কর্তৃপক্ষের কান পর্যন্ত পৌঁছায় না, নির্বাচিত হলে আমরা এসব সমস্যার সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করতে পারব।

ঢাকা ট্রিবিউন: অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় আপনি নিজেকে কতখানি এগিয়ে রাখছেন?

নুর: আমি মনে করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী মেধাবী এবং সুবিবেচনাসম্পন্ন। তাই তারা জানেন যে, কে তাদের হয়ে কাজ করতে পারবে। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে আমরা তাদের পাশে থেকেছি সবসময়। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখেছি। ডিপার্টমেন্ট এবং হলে সবার সঙ্গে আমার ভাল সম্পর্ক রয়েছে। অন্য ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারা নিজেদেরকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের থেকে দূরে সরিয়ে রাখেন কিন্তু আমাদের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক অনেক বেশি হৃদ্যতার। এটাই আমার বড় শক্তি।

ঢাকা ট্রিবিউন: বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন আপনি, সহাবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এত সঙ্কটের পরেও আপনারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন কেন?

নুর: গত বছরের ১০ এপ্রিল এক ছাত্রীর পা কেটেদেওয়ার অভিযোগে সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগ নেত্রী এশাকে বহিষ্কার করেছিল সংগঠনটি, তার পরপরই এশাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বহিষ্কার করা হল। কিন্তু পরে ছাত্রলীগ আবার যখন তার বহিষ্কারাদেশ তুলে নিলো, বিশ্ববিদ্যালয়ও তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলো। কোটা আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ আমাদেরকে মারধর করে বক্তব্য দিলো- “টাকার ভাগাভাগি নিয়ে আমাদের মধ্যে মারামারি হয়েছে”। আমাদের মাননীয় উপাচার্যও একই বক্তব্য দিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে আমাদের ওপর ছাত্রলীগের নির্যাতনের নির্যাতনের প্রমাণ থাকা সত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এভাবেই ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সন্ত্রাস-নির্যাতন-বৈষম্যের শিকার। আমি মনে করি, ডাকসু নির্বাচন এই শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর বড় একটা সুযোগ। তাই আমরা নির্বাচনে এসেছি।

ঢাকা ট্রিবিউন: ভবিষ্যতে আপনাদের কোনও রাজনৈতিক দল গঠনের ইচ্ছা আছে?

নুর: আমরা দেখে এসেছি রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলো তাদের মূল দলের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্যই কাজ করে থাকে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা তাদের মাথায় থাকে না। সেজন্যই আমরা একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদকে সঙ্গে নিয়েই এগোতে চাচ্ছি। এখন পর্যন্ত আমাদের কোনও রাজনৈতিক দল গঠনের চিন্তা নেই।

ঢাকা ট্রিবিউন: কোটা নিয়ে বর্তমান সরকারের অবস্থানকে আপনারা কীভাবে দেখছেন?

নুর: দীর্ঘদিন আন্দোলনের ফলে সরকার আমাদের দাবিগুলো আংশিক মেনে নিয়েছিল। আমরা বিভিন্ন সময়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আমাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে দিয়েছি। তবে কোনও নির্দিষ্ট কোটার বাতিল কিংবা সংস্কার নয়, পুরো কোটা ব্যবস্থারই একটা যৌক্তিক সংস্কার চেয়ে আসছি আমরা। আমাদের প্রস্তাবনা ছিল সব ধরনের সরকারি চাকরিতে ১০-১৫ শতাংশ কোটা বরাদ্দ করা। তবে শেষ পর্যন্ত সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়েই হোক কিংবা নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে বাঁচার জন্যই হোক; আমরা তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।


আরও পড়ুন- মোস্তাফিজ: ক্যাম্পাসে লোক দেখানো সহাবস্থান তৈরি হয়েছে


ঢাকা ট্রিবিউন: কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা করে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা আছে কি?

নুর: দেখুন, জাতীয় পর্যায়ে বড় দলগুলোর বেশিরভাগ নেতাই ছাত্র রাজনীতি করে উঠে আসেন। সে হিসেবে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রয়োজন আছে কারণ, যারা পেশাদার রাজনীতিবীদ হতে চান তারা যেন ছাত্রাবস্থা থেকেই ওই চর্চার মধ্যে দিয়েই বেড়ে ওঠেন। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রভৃতি বিষয়গুলো রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে থাকা প্রয়োজন আর তা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক সংগঠন থেকেই গড়ে উঠতে পারে। তবে রাজনৈতিক অপচর্চা মানুষের আশার জায়গাটাকে ক্ষীণ করে দিয়েছে। তাই অরাজনৈতিক কিছু ছাত্র সংগঠনের প্রয়োজনও রয়েছে।

ঢাকা ট্রিবিউন: তাহলে কোনও রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে জোটভুক্ত হলেন না কেন?

নুর: ছাত্র ইউনিয়ন বা বাম সংগঠনগুলোর অনেক ইতিবাচক অবদান রয়েছে কিন্তু তারা তাদের একটা নির্দিষ্ট মতাদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করে। ছাত্রলীগ-ছাত্রদল তাদের মূল সংগঠনের লেজুরবৃত্তি করে। তাই আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে সঙ্গে নিয়ে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম দাঁড় করাতে চেয়েছি যা নির্দিষ্ট কোনও মতাদর্শ নয় বরং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকবে। তবে ন্যায়সঙ্গত দাবিতে সবার সঙ্গে একই জায়গায় দাঁড়াতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।


70
50
blogger sharing button blogger
buffer sharing button buffer
diaspora sharing button diaspora
digg sharing button digg
douban sharing button douban
email sharing button email
evernote sharing button evernote
flipboard sharing button flipboard
pocket sharing button getpocket
github sharing button github
gmail sharing button gmail
googlebookmarks sharing button googlebookmarks
hackernews sharing button hackernews
instapaper sharing button instapaper
line sharing button line
linkedin sharing button linkedin
livejournal sharing button livejournal
mailru sharing button mailru
medium sharing button medium
meneame sharing button meneame
messenger sharing button messenger
odnoklassniki sharing button odnoklassniki
pinterest sharing button pinterest
print sharing button print
qzone sharing button qzone
reddit sharing button reddit
refind sharing button refind
renren sharing button renren
skype sharing button skype
snapchat sharing button snapchat
surfingbird sharing button surfingbird
telegram sharing button telegram
tumblr sharing button tumblr
twitter sharing button twitter
vk sharing button vk
wechat sharing button wechat
weibo sharing button weibo
whatsapp sharing button whatsapp
wordpress sharing button wordpress
xing sharing button xing
yahoomail sharing button yahoomail