• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

ডাকসু নির্বাচন: ভিসির কাছে প্রগতিশীল জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের স্মারকলিপি

  • প্রকাশিত ০৭:৫৩ রাত মার্চ ১০, ২০১৯
ডাকসু
রবিবার (১০ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বরাবর প্রগতিশীল জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা স্মারকলিপি প্রদান করেন। ছবি- সংগৃহীত

এ সময় হাতে হাত ধরে বাম জোট, কোটা আন্দোলনকারী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজেদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকার অঙ্গীকার করেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের একদিন আগে নানা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রগতিশীল জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। 

ভোট গ্রহণের সময় বাড়ানো, পোলিং এজেন্ট দেওয়ার সুযোগ, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং নির্বাচনের দিন বিভিন্ন সড়কে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস বাড়ানোর দাবিতে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে তারা সবাই একসঙ্গে ভিসি কার্যালয়ে যান। এ সময় কার্যালয়ের কলাপসিবল গেটে তাদের বাধা দেওয়া হয়।

এর প্রতিবাদে প্রার্থীরা সেখানেই অবস্থান নেন। পরে প্রার্থীদের মধ্যে কয়েকজনকে ভিসির কার্যালয়ে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়। এ সময় বাম জোটের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী লিটন নন্দী, কোটা আন্দোলনের নেতা, ভিপি প্রার্থী নুরুল হক নুরু, স্বতন্ত্র সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী এ আর এম আসিফুর রহমান, স্বতন্ত্র জোটের ভিপি প্রার্থী অরণী সেমন্তী খান ও ছাত্র ফেডারেশনের জিএস প্রার্থী উম্মে হাবিবা বেনজীর ভিসি কার্যালয়ে গিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন। এ সময় ভিসি তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, "বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতার মধ্যে সহজেই অর্জনযোগ্য কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করা হলে ১১ তারিখের নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব বলে মনে করি। এর মধ্যে আছে, আরও ৪ ঘণ্টা ভোট গ্রহণের সময় বাড়ানো, কেবল পোলিং বুথের ভেতর ছাড়া নির্বাচনি এলাকা ও ভোট কেন্দ্রের তথ্য সংগ্রহে সব ধরনের মিডিয়ার অবাধ সুযোগ তৈরি, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগের অনুমতি, নির্বাচনি পর্যবেক্ষক ও ভোটারদের নিরাপত্তা বিধানে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ, ভোট গ্রহণের দিন সকাল বেলা সব রুটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের সংখ্যা বাড়ানো।"

বামজোটের প্রার্থী লিটন নন্দী বলেন, "আমাদের দাবিকে উপেক্ষা করে নির্বাচন করছে প্রশাসন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও ধরনের অনিয়ম হলে প্রশাসনকে আমরা ছেড়ে কথা বলবো না। গঠনতন্ত্রে পোলিং এজেন্টের কথা রয়েছে । কিন্তু অধিকাংশ প্রভোস্ট পোলিং এজেন্ট রাখার বিপক্ষে মত দিয়েছেন। আমরা মনে করি, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এই ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে।"

এ সময় হাতে হাত ধরে বাম জোট, কোটা আন্দোলনকারী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজেদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে থাকার অঙ্গীকার করেন। তারা ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন সোমবার (১১ মার্চ) অনুষ্ঠিত হবে।