• সোমবার, আগস্ট ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪৩ সকাল

নেপালে বিমান দুর্ঘটনার এক বছরেও স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি আহত ইয়াকুব

  • প্রকাশিত ০২:১৮ দুপুর মার্চ ১২, ২০১৯
মুন্সীগঞ্জের ইয়াকুব
২০১৮ সালের ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা বিমানের যাত্রী মুন্সীগঞ্জের ইয়াকুব আলী। ছবি : ঢাকা ট্রিবিউন

নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুর্ঘটনার একবছর হয়ে গেলেও শরীরে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছেন সেই দু:সহ স্মৃতি

নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুর্ঘটনার একবছর হয়ে গেলেও স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি দুর্ঘটনায় আহত মুন্সীগঞ্জের ইয়াকুব আলী রিপন। এখনো সাহায্য ছাড়া হাঁটতে পারেন না। শরীরে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছেন সেই দু:সহ স্মৃতি। পরিবারের সদস্যরা ছাড়া কারো সাথে কথা বলেন না, গণমাধ্যম কর্মীদের সাথেও না। এখনো হাল ধরতে পারেননি নিজ ব্যবসার

আহত ইয়াকুবের  স্ত্রী আঁখি বেপারি জানান, “তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। চলাফেলার জন্য তার সাথে এখনো একজন প্রয়োজন হয়। উঠা-বসাসহ কোন কিছু করার জন্য অন্য এক জনের দরকার হয়। এখন আর ব্যবসা করতে পারেন না। তার ভাইরা তার ব্যবসা দেখে থাকেন।” 

তবে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে আরো সময় লাগবে বলে জানান তার স্ত্রী আঁখি।। এসময় তিনি ইয়াকুবের চিকিৎসার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের যথেষ্ট সাহায্য পেয়েছি বলেও জানান তিনি। 

ইয়াকুব আলী রিপন মুন্সীগঞ্জ টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কামারখাড়া ইউনিয়নের বেশনাল গ্রামের ইউনুছ বেপারীর ছেলে। তিনি ৫ ভাই-বোনের মধ্যে বড়। 

প্রায় ৯ বছর আগে আঁখি বেপারীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ইয়ানুফ আলি নামের আট বছরের একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ইয়াকুব ঢাকার মোহাম্মদপুরের আদাবর এলাকার বসবাস করেন। 

ইয়াকুব আলী ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার কাজে বিভিন্ন সময় মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে যাতায়াত ছিল তার। ২০১৮ সালের ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলা বিমানের যাত্রী ছিলেন মুন্সীগঞ্জের ইয়াকুব আলী।