• শনিবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৪ রাত

রোহিঙ্গাদের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা কানাডা ও বিশ্বব্যাংকের

  • প্রকাশিত ০৭:২৭ রাত মার্চ ২১, ২০১৯
রোহিঙ্গা
মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। ফাইল ছবি। রয়টার্স

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক ও কানাডা সরকার।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিও, আইএমও এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় বলে বাসসের একটি খবরে বলা হয়েছে।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, "রোহিঙ্গাদের সহায়তায় আজ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫০ মিলিয়ন ডলারের একটি সমঝোতা চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ৪১ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার। আর কানাডা সরকার দিচ্ছে ৮ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন ডলার। সবমিলিয়ে ৫০ মিলিয়ন ডলার। এই ৫০ মিলিয়ন ডলার রোহিঙ্গাদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য ব্যবহার করা হবে"।

"বিশ্বব্যাংক ইতোমধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য দুইশ’ মিলিয়ন ডলার দিয়েছে। তারা আরও ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া আজ সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে ৫০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে তারা", যোগ করেন তিনি।

জাহিদ মালেক আরও বলেন, "এর মধ্যে ৩৫ মিলিয়ন ডলার চারটি এজেন্সিকে দেয়া হবে। তারা রোহিঙ্গাদের ঘর-বাড়ি নির্মাণ, চিকিৎসা ও অন্যান্য খাতে এই টাকা ব্যয় করবে। বাকি ১৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ ব্যয় হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। এর মধ্যে আইএমও ১২ মিলিয়ন, ইউএনএফপিএ ৯ মিলিয়ন, ইউএনআইসিইএফ ৮.৫ মিলিয়ন, ডব্লিইউএইচও ৫.৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে"।

শিগগিরই এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাষানচরে স্থানান্তর করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, "সেখানে তাদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে একটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা তাদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য সব কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়া রোহিঙ্গাদের জন্য ঘর-বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে"।

এ সময়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জি এম সালেহ উদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারওয়ার, অতিরিক্ত সচিব বাবলু কুমার সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।