• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৮ রাত

তরুণ, নারী এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠির সুরক্ষায় তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির দাবি

  • প্রকাশিত ০৫:৫৭ সন্ধ্যা মার্চ ২৩, ২০১৯
সংবাদ সম্মেলন
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি'র সাগর-রুনি মিলনায়তনে আসন্ন ২০১৯-২০ বাজেটে তামাকপণ্যে যুগোপযোগী এবং কার্যকর করারোপের মাধ্যমে মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে ‘কেমন তামাক কর চাই’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: সৌজন্যে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি'র সাগর-রুনি মিলনায়তনে আসন্ন ২০১৯-২০ বাজেটে তামাকপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে ‘কেমন তামাক কর চাই’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি'র সাগর-রুনি মিলনায়তনে আসন্ন ২০১৯-২০ বাজেটে তামাকপণ্যে যুগোপযোগী এবং কার্যকর করারোপের মাধ্যমে মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে ‘কেমন তামাক কর চাই’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস্ (সিটিএফকে) এর সহায়তায় প্রজ্ঞা ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-আত্মা’র উদ্যোগে তামাকবিরোধী সংগঠন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, এসিডি, ইপসা, বিটা, সুপ্র, এবং তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) সম্মিলিতভাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। তিনি বলেন, "আমরা কয়েক বছর ধরেই তামাক পণ্যের করকাঠামো পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছি, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকরাও এবিষয়ে একমত পোষণ করেন কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়না। আমরা আবারো দাবি জানাচ্ছি তামাকের ক্ষতি থেকে মানুষকে রক্ষায় বাজেটে কার্যকরভাবে করারোপের মাধ্যমে দাম বৃদ্ধি করতে হবে।"

সংবাদ সম্মেলনের বিশেষ অতিথি ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, "তামাকপণ্যের দাম কার্যকরভাবে বাড়ানো হলে, যারা নতুন করে শুরু করতে চায় তারা নিরুৎসাহিত হবে। তামাক ব্যবাহারকারীদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটানোর জন্য কাজ করার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এছাড়াও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি কার্যক্রমে তামাক ব্যবহারকারীদের অন্তর্ভুক্ত না করার মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে তামাক ব্যবহারের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা করা সম্ভব"।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে তামাকপণ্যের দাম সস্তা এবং তা ক্রমশ আরও সস্তা হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যমান তামাক কর-কাঠামো অত্যন্ত জটিল। একাধিক মূল্যস্তর এবং বিভিন্ন দামে তামাকপণ্য ক্রয়ের সুযোগ থাকায় তামাকের ব্যবহার হ্রাসে কর ও মূল্যপদক্ষেপ সঠিকভাবে কাজ করছেনা। পাশাপাশি তামাক কোম্পানিগুলো উচ্চস্তরের সিগারেট নিম্নস্তরে ঘোষণা দিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, বাংলাদেশে বর্তমানে তামাক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৫০ শতাংশেরও বেশি মানুষ ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করেন, অথচ মোট তামাক রাজস্বের মাত্র ০.২ শতাংশ আসে ধোঁয়াবিহীন তামাক থেকে।

আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন এটিএন বাংলার প্রধান প্রতিবেদক ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স- আত্মা এর কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ। সংবাদ সম্মেলনে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন ড. মাহফুজ কবীর, রিসার্চ ডিরেক্টর, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।