• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪৯ দুপুর

শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় সিক্ত হতে প্রস্তুত জাতীয় স্মৃতিসৌধ

  • প্রকাশিত ১২:৪১ দুপুর মার্চ ২৫, ২০১৯
স্মৃতিসৌধ
ছবি: নাদিম হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন

আগামীকাল স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে জাতির বীর সন্তানদের শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, এরপর সৌধ প্রাঙ্গণে ঢল নামবে লাখো মানুষের

মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতির শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হতে পুরোপুরি প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। 

দিবসটি উপলক্ষে গণপূর্ত বিভাগের কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এক নতুন রুপ ধারন করেছে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। নানা রঙ্গের বাহারী ফুলের চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে স্মৃতিসৌধের সবুজ চত্বর। চত্বরের সিড়ি ও নানা স্থাপনায় পড়েছে রং-তুলির আঁচড়। 

দিবসটির প্রথম প্রহরে জাতির বীর সন্তানদের শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ, কূটনৈতিকসহ বিশিষ্ট জনেরা। এরপরই জাতির গৌরব আর অহংকারের এ-দিনটিতে সৌধ প্রাঙ্গণে ঢল নামবে লাখো মানুষের। তাদের হৃদয় নিংড়ানো শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ফুলে ফুলে ভরে উঠবে শহীদ বেদি। সেই বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে অপেক্ষায় গোটা জাতি। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের জন্য এরই মধ্যে শেষ করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসেধের সৌন্দর্যবর্ধনের সব কাজ। 

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে নবম পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অর্নার এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাহিনীটি। আর প্রতিবারের মত এবারও স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এছাড়াও স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে সৌধ এলাকার পাশাপাশি ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কেও শেষ করা হয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শোভা বর্ধনের কাজ। সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় গুলো কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে সড়কের মাঝখানের আইল্যান্ড দৃষ্টিনন্দন করতে দেওয়া হয়েছে লাল ও সাদা রং। 

এছাড়াও সৌধ এলাকার সামনে সড়কে লাগানো হয়েছে আলোকবাতি। জাতীয় স্মৃতি সৌধের দায়িত্বে নিয়োজিত গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “দিনটিকে সামনে রেখে প্রায় শতাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী গত এক মাস যাবৎ কাজ করে যাচ্ছেন। আর সৌধ এলাকার পরিচ্ছন্নতা কাজে যাতে বিঘ্ন না হয় সেজন্য সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পরই সর্বসাধারনের জন্য সৌধফটক উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।” 

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শাহ মিজান শাফিউর রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও এর আশপাশের এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারী বাড়নোসহ নিরাপত্তার স্বার্থে সৌধ প্রাঙ্গনের বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা চৌকি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। প্রতিবারের মত এবারও নির্বিঘ্ন বাঙ্গালি জাতি এই অহংকারের দিনটি উদযাপন করতে পারবেন বলেও জানান এই কর্মকর্তা।