• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৩ বিকেল

বাল্যবিয়ে রুখে দিলো মির্জাপুরের কিশোরী ক্লাব

  • প্রকাশিত ০৭:২১ রাত মার্চ ২৫, ২০১৯
কিশোরী ক্লাব
বংশাই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

ইউএনও জানান, বরকে ধরতে পুলিশ পাঠালে সে পালিয়ে যায়। মেয়েটির বাবা-মা আঠারো বছরের আগে তাদের মেয়েকে বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সহায়তায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে রুখে দিয়েছে উপজেলার বংশাই স্কুল এন্ড কলেজের কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা।

সোমবার দুপুরে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিয়ের খবর পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে এই বেআইনী কার্যক্রম বন্ধ করে তারা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীর বিয়ের দিন ঠিক করা হয়েছিল মঙ্গলবার। সে অনুযায়ী সোমবার আয়োজন করা হয়েছিল গায়ে হলুদের। এমন খবর পেয়ে তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেনকে জানায়।

অধ্যক্ষের পরামর্শে কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধের জন্য মেয়ের বাবা-মা কে অনুরোধ করে।

কিন্ত অভিভাবকরা তাদের কথা অগ্রাহ্য করে বিয়ের প্রস্তুতি অব্যাহত রাখলে বিষয়টি মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেককে জানানো হয়। নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ওই বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে বাবা-মাসহ মেয়েটিকে তার অফিসে নিয়ে আসেন এবং বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে অভিভাবকদের বোঝান। পরে মেয়েটির বাবা-মা আঠারো বছর বয়সের আগে মেয়ের বিয়ে না দেয়ার জন্য মুচলেকা দিলে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

বংশাই স্কুল এন্ড কলেজের কিশোরী ক্লাবের সদস্যরা জানায়, মির্জাপুরের সাবেক ইউএনও ইসরাত সাদমীন তাদের কিশোরী ক্লাব গঠন করে দিয়েছিলেন। তারা বাল্যবিবাহ বন্ধে ভূমিকা রাখাসহ নারীদের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে থাকেন।

এ বিষয়ে মির্জাপুরের ইউএনও আব্দুল মালেক ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, বরকে ধরতে পুলিশ পাঠালে সে পালিয়ে যায়। মেয়েটির বাবা-মা আঠারো বছরের আগে তাদের মেয়েকে বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দিয়েছেন।