• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:১৮ দুপুর

ইসি রফিকুল: নির্বাচনী সরঞ্জাম ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে ওপেন ফায়ার

  • প্রকাশিত ০৭:১৪ রাত মার্চ ২৭, ২০১৯
ইসি রফিকুল
৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানার ওসি ও ইউএনও’র বক্তব্যে পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এমপি-মন্ত্রীদের বিনীতভাবে আপনারা অনুরোধ করবেন যাতে প্রচারণায় তারা অংশ না নেন।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রফিকুল ইসলাম বলেছেন, উপজেলা নির্বাচনে ঝামেলা করার চেষ্টা করলে কারও দিকে না তাকিয়ে জেলে ঢোকানো হবে। নির্বাচনী সরঞ্জাম ছিনতাই কিংবা জান-মালের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই করা হবে 'ওপেন ফায়ার'। আজ থেকেই বিজিবি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া।

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানার ওসি ও ইউএনও’র বক্তব্যে পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এমপি কিংবা মন্ত্রীদের বিনীতভাবে আপনারা অনুরোধ করবেন যাতে প্রচারণায় তারা অংশ না নেন।

সোনারাগাঁ, রূপগঞ্জ এবং আড়ইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত বিজিবি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দেন নির্বাচন কমিশনার। জেলার চরাঞ্চলে তিনটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য একজন অতিরিক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং কোস্টগার্ড এবং নৌ পুলিশ দেয়ারও নির্দেশনা দেন।

সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, কে কোন মার্কা, কে কোন দলের, কে এমপির প্রার্থী আর কে মন্ত্রীর প্রার্থী তা আমাদের দেখার সুযোগ নেই। সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করারই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। এর মাধ্যমেই জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নেবেন। ভোট চুরি, জালিয়াতি কিংবা কোনও মাদকব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজকে ভোটাররা বেছে নেবেন না। ৩১ মার্চের নির্বাচনে এমপি, মন্ত্রী কিংবা গডফাদারের পরিচয় দিয়ে ভোট পাওয়ার কোনও সুযোগ থাকবেনা। আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করছি।

সভায় আড়াইহাজার উপজেলার রিটার্নিং কমকর্তা সেলিম রেজা, রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁ উপজেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা আতাউর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।