• বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৯ রাত

মৃত্যুর আগে ফোনে পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন মামুন

  • প্রকাশিত ১০:২০ রাত মার্চ ২৮, ২০১৯
বনানী আগুন নিহত মামুন
বনানী অগ্নিকাণ্ডে নিহত হেরিটেজ এয়ারওয়েজ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

মামুনের মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকে যেন পাথর হয়ে গেছেন তার মা।

রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন হেরিটেজ এয়ার লাইন্সের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন (৪৭)। তিনি দিনাজপুর শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গার মৃত আবুল কাশেমের দ্বিতীয় পুত্র।

ওই ভবনে হেরিটেজ এয়ারওয়েজের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন মামুন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগার পর আরও অনেকের সঙ্গে অফিসে আটকা পড়েন মামুন। ভয় পেয়ে ভাইয়ের কাছে ফোন করে ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। তাদের ভাষায়, অবশ্যম্ভাবী মৃত্যুকে কাছ থেকে দেখেই স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন মামুন।

কিছুক্ষণ পরে পরিবারের লোকজনকে জানানো হয়, ভবনের পাশে থাকা তার বেয়ে নামার সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান মামুন।

নিহত মামুনের ভাই মোশাররফ হোসেন জানান, দিনাজপুর শহরে স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে ভারতে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছিলেন তিনি। পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী, দুই মেয়ে, মা এবং চার ভাই-বোন।

এদিকে, মামুনের মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকে যেন পাথর হয়ে গেছেন তার মা।

শুক্রবার সকাল সকাল ১১টায় দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কালিয়াগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে তার প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর কবরস্থানে বাবার পাশে তাকে সমাহিত করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।