• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

গণপূর্ত মন্ত্রী: এটা দুর্ঘটনা না, হত্যাকাণ্ড

  • প্রকাশিত ০২:৪৫ দুপুর মার্চ ২৯, ২০১৯
এফ আর টাওয়ার অগ্নিকাণ্ড
২৮ মার্চ রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৭ জন নিহত হন। মাহমুদ হোসেন অপু/ঢাকা ট্রিবিউন

"যারা এই ঘটনায় জড়িত সেই নরপিশাচদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে"

বনানীর এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিহিত করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। 

শুক্রবার (২৯ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে এফ আর টাওয়ার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, "এটা আমার মতে দুর্ঘটনা নয়, হত্যাকাণ্ড। কঠিন ব্যবস্থা নিব।"

তিনি বলেন, "মন্ত্রণালয় থেকে ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিট গঠন করা হয়েছে। একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে। তারা সল্প সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিবে। রাজউকের পক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অ্যামাদের কমিটি প্রকাশ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। 

তিনি আরও বলেন, "আমরা তথ্য পেয়েছি এই ভবনটি ১৮ তলা নির্মানের জন্য প্লান পাশ হয় ১৯৯৬ সালে। কিন্ত ২০০৫ সালে এসে একটা কপি দাখিল কর হয় যে, ভবনটি ২৩ তলা হয়েছে। সেটাকে সন্দেহ হবার কারণে তদন্ত করা হয়। সেই তদন্তে দেখা যায়, যে কপি তারা দাখিল করেছেন সে সম্পর্কে রাজউকের রেজিস্টারে কোন তথ্য নেই। কাজেই পরে তারা যে নকশা দাখিল করেছে সেটা সঠিক নয়, মূল অনুমোদিত নকশার ব্যাতায় ঘটিয়ে তারা এই ভবন নির্মান করেছে।"

তিনি বলেন, "সেই সময় রাজউকের যে চেয়ারম্যান ছিলেন ও কর্মকর্তা ছিলেন আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেস্টা করছি। এই নকশা অনুমোদনের সময় কোন ব্যাতয় ঘটেছে কি না ও মুল নকশা ছাড়া এটা তৈরী হয়েছে কি না। হয়ে থাকলে এর সাথে কারা কারা জনিত সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নিব। যারা এই ঘটনায় জড়িত সেই নরপিশাচদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওায় হবে।"

ঢাকার অন্যান ভবনগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

এই ভবনের মালিক একজন প্রকৌশলী। তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে- তিনি বলেন, "যেসব প্রকৌশলী এই ভবন নির্মার্ণের সঙ্গে জড়িত তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে এবং প্রয়োজনে এই ইমারত ভেঙে ফেলা হবে।"