• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৩ বিকেল

এমসিকিউ এবং লিখিত: দুই পদ্ধতিতেই হবে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা

  • প্রকাশিত ০৭:৫২ রাত মার্চ ২৯, ২০১৯
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ফাইল ছবি/ঢাকা ট্রিবিউন।

আগামী শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এ পদ্ধতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় প্রচলিত এমসিকিউ (বহু নির্বাচনী) প্রশ্নের পাশাপাশি চালু হচ্ছে লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পরিষদ সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. আখতারুজ্জামান।

আগামী শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় এ পদ্ধতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ডিকেট। উল্লেখ্য, প্রতি বছর সাধারণত অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিন্ডিকেটের সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

তিনি জানান, “শুধুমাত্র এমসিকিউ পরীক্ষার বদলে আগামী বছর থেকে এমসিকিউ এবং লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা নেবে বিশ্ববিদ্যালয়।”

তবে এমসিকিউ এবং লিখিত পরীক্ষার নম্বর এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি বলেও জানান হুমায়ুন কবির।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এবং ভর্তি কমিটি ভর্তি পরীক্ষার নম্বর বণ্টনের বিষয়টি চূড়ান্ত করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে এমসিকিউতে ৬০ শতাংশ এবং লিখিত পরীক্ষায় ৪০ শতাংশ নম্বর রাখার প্রস্তাব করেছে সিন্ডিকেট। পরীক্ষার মোট নম্বর ১২০ করারও প্রস্তাব করা হয়েছে সিন্ডিকেটের পক্ষ থেকে।

এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হতো। এর মধ্যে ১২০ নম্বর থাকত এমসিকিউ পরীক্ষায় এবং ৮০ নম্বর থাকত এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার গ্রেড পয়েন্টের ভিত্তিতে।

এদিকে, সিন্ডিকেটের একই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের প্রভোস্টকে গত ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।