• মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫০ রাত

২৪ ভাইস চেয়ারম্যানের দাবি: বাড়ি না হলেও, গাড়িটা লাগবে

  • প্রকাশিত ০৭:০৯ রাত এপ্রিল ৫, ২০১৯
সরকারি গাড়ি
সংগৃহীত ছবি

অন্তত একটা পুরনো গাড়ি হলেও এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দ করা হয় বাড়ি-গাড়ি। কিন্তু ভাইস চেয়ারম্যানরা এসবের কিছুই পান না। নির্বাচনী এলাকা ঘুরতে রিকশা-অটোরিকশাই তাদের ভরসা। তবে তাদের মধ্যে সামর্থ্যবানরা ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করেন। তাই বগুড়ার ১২টি উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা বাড়ি না পেলেও অন্তত একটা গাড়ি চেয়েছেন। অন্তত একটা পুরনো গাড়ি হলেও এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা সরকারি কোয়ার্টার এবং চলাচলের জন্য একটি পাজেরো জিপ বরাদ্দ পেয়ে থাকেন। সার্বক্ষণিক সরকারি গাড়ি ও চালক থাকায় সহজেই তারা অফিসে যাতায়াতসহ যে কোনও প্রয়োজনে নির্বাচনী এলাকায় আসা-যাওয়া করতে পারেন। 

বিপরীতদিকে, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের দাবি, গাড়ি না থাকায় কার্যালয়ে আসা-যাওয়া এবং নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার জন্য রিকশা কিংবা অটো রিকশাই তাদের ভরসা। এক্ষেত্রে নারী ভাইস চেয়ারম্যানদের সমস্যা বেশি। গাড়ি না থাকায় বিশেষ করে রাতের বেলায় দূরবর্তী কোনও এলাকায় যেতে পারেন না তারা। 

এসব সমস্যার সমাধানে সরকারের পরিবহন পুল থেকে গাড়ি বরাদ্দ চেয়েছেন বগুড়ার ১২ টি উপজেলার নারী ও পুরষ ভাইস চেয়ারম্যানরা।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার নব-নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডালিয়া খাতুন রিক্তা ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, বগুড়া পৌরসভার ২০টি ওয়ার্ড ও ১১টি ইউনিয়নের ৯৯টি ওয়ার্ড নিয়ে সদর উপজেলা পরিষদ। ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৮৭ হাজার ২৭৯ জন। সুবিশাল আয়তনে এ নির্বাচনী এলাকায় চেয়ারম্যানের জন্য জিপ বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের জন্য কোনও গাড়ি না থাকায় তাদের পক্ষে জনসেবায় অংশগ্রহন করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। 

তিনি মনে করেন, ভোটাররা সবসময় তাদের এলাকায় চাইলেও গাড়ির অভাবে তা সম্ভব নয়। এ জন্য পুরনো হলেও একটা গাড়ির জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি। 

একই দাবি সদর উপজেলার নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেনের। তিনি জানান, সরকার গ্রামকে শহরে পরিণত করতে প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের জন্য গাড়ি বরাদ্দ থাকার কথা। গাবতলী উপজেলায় একটি পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ড ও ১১ টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৪৭ হাজার ৫৫। বিশাল এ এলাকার জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছতে ভাইস চেয়ারম্যানদেরও গাড়ির প্রয়োজন। 

আরেক নব-নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মুক্তা জানান, একটা গাড়ি হলে খুব সহজে জনগণকে সেবা দেয়া সম্ভব হতো। 

একই দাবি জানিয়েছেন, সদরের ঘোড়াধাপ গ্রামের শাহাদত ইসলাম তুর্য্য, শশীবদনী গ্রামের আইনুল হক, নামুজার আনোয়ার হোসেন, ধুনটের এমরান হোসেন, দুপচাঁচিয়ার খাইরুল ইসলাম, সারিয়াকান্দির মঞ্জু সরকার, গাবতলীর আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।