• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

যৌন নির্যাতনকারী শিক্ষক অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশিত ০৬:৪৫ সন্ধ্যা এপ্রিল ৯, ২০১৯
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি)
মঙ্গলবার গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের চেয়্যারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো.আক্কাস আলীকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার দাবিতে ক্লাস বর্জন ও অবস্থান ধর্মঘট করছেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।মনোজ সাহা/ঢাকা ট্রিবিউন

অভিযুক্ত শিক্ষককে অপসারণ না করা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচী অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের চেয়্যারম্যান সহকারী অধ্যাপক মো.আক্কাস আলীকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার দাবিতে ক্লাস বর্জন ও অবস্থান ধর্মঘট করছেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। 

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার সিএসই বিভাগের সামনে ওই শিক্ষকের বিচার ও অপসারণের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। 

এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে ক্লাস, পরীক্ষাসহ সকল একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এরমধ্যে রয়েছে, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত অনশন ও অবস্থান ধর্মঘট, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ এবং নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে মৌন মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণ। 

প্রসঙ্গত, গত মার্চ মাসে সিএসই বিভাগের শেষ বর্ষের দু’ ছাত্রী ওই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন। 

এরপর গত রবিবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মুখে ওই শিক্ষককে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এছাড়া একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে ওই শিক্ষককে সাময়িক বহিস্কার করা হয়। এ ঘটনার তদন্তে ৪ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। 

সাময়িক বহিস্কারের পর স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, এর আগেও এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক  ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এ ধরণের ঘটনা বারবার ঘটছে। ওই শিক্ষককে অপসারণ না করা পর্যন্ত তাদের অনশন কর্মসূচী অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। 

এ প্রসঙ্গে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। এর পরই এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”