• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৪ দুপুর

ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রীর ‘ডাইং ডিক্লারেশনে’ নাম আসা শম্পা আটক

  • প্রকাশিত ১০:১৩ রাত এপ্রিল ৯, ২০১৯
ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি। ফোকাস বাংলা

ওই ছাত্রী চিকিৎসকদের কাছে তথ্য দিয়েছেন যে তার গায়ে আগুন দেয়ার সময় কেউ একজন ‘শম্পা চল’ বলেছেন বলে তিনি শুনেছেন

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে অগ্নিদগ্ধ আলিম পরীক্ষার্থীর ‘ডাইং ডিক্লারেশনে’ দেয়া তথ্যানুযায়ী জিজ্ঞাবাসাদের জন্য শম্পা নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইউএনবি।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

তিনি বলেন, “ওই ছাত্রী চিকিৎসকদের কাছে তথ্য দিয়েছেন যে তার গায়ে আগুন দেয়ার সময় কেউ একজন ‘শম্পা চল’ বলেছেন বলে তিনি শুনেছেন। সেই সূত্রে শম্পাকে আটক করেছে পুলিশ। শম্পা ওই মাদ‌্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী।”

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছাত্রী সোমবার ‘ডাইং ডিক্লারেশন’ হিসেবে তার শরীরে আগুন দেয়া বোরকা পরা চারজনের মধ্যে একজনের নাম শম্পা বলে জানান। তার দেয়া বক্তব্য মামলার বিচারকাজে ব্যবহৃত হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে সোনাগাজীর ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, “শম্পা বা আরেকটা নাম আছে বলে আমরা শুনেছি। নামটা কিন্তু কনফার্ম না। তারপরও ওই নামের মেয়েটিকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছি। তাকে আমরা তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করব।”

প্রসঙ্গত, শনিবার সকালে আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যায় সে। এ সময় তার বান্ধবীকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করেছে- এক ছাত্রীর এমন সংবাদে ভবনের চার তলায় যায় সে। সেখানে বোরকা পরা ৪-৫ জন ছাত্রী তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে আনা শ্লীলতাহানির মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। এতে অস্বীকৃতি জানালে তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান সোমবার রাতে অধ্যক্ষ সিরাজ ও পৌর কাউন্সিলর মুকছুদ আলমসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সম্পূরক এজাহার দাখিল করেছেন।

এর আগে তার মা বাদী হয়ে মেয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে অধ্যক্ষ সিরাজের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশ তাকে ২৭ মার্চ গ্রেফতার করে। তিনি এ মামলায় কারাগারে রয়েছেন।