• বুধবার, মে ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৮ রাত

ধর্ষণের দায় স্বীকার করে প্রধান শিক্ষকের জবানবন্দি

  • প্রকাশিত ১০:৩১ রাত এপ্রিল ১১, ২০১৯
আদালত

ওই ছাত্রী যেন তার পরিবার বা অন্য কাউকে বিষয়টি না জানায় সেজন্য তিনি বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন বলেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেন।

ফেনীর দাগনভূঁঞায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধষর্ণের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন থুশিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল করিম খান বাহাদুর।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেনীর জ্যেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম এ এস এম এমরান এর আদালতে তিনি এ দায় স্বীকার করেন।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওমি) মো. সালেহ আহম্মদ পাঠান ও আদালত সূত্রে জানা যায়, আদালতের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ওই স্কুল ছাত্রীকে গত কিছু দিনে একাধিকবার ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

ওই ছাত্রী যেন তার পরিবার বা অন্য কাউকে বিষয়টি না জানায় সেজন্য তিনি বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন বলেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেন।

ওসি জানান, ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৪ এপ্রিল ওই শিক্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করে। ৭ এপ্রিল তাকে আদালতে তোলা হলে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে আদালতের হাকিমের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে অপরাধা স্বীকার করে নেন বাহাদুর।

পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, গত ৭ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী একই আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দিতে প্রধান শিক্ষকের অপকর্মের বর্ণনা দেয়। গত শনিবার ও রবিবার ফেনী সদর হাসপাতালে ওই ছাত্রীর শারিরীক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপিল ওই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় তার বড় বোন বাদী হয়ে দাগনভূঁঞা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।