• শনিবার, ডিসেম্বর ০৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৫৩ সন্ধ্যা

'চিকিৎসক ও আইনজীবীদের ট্যাক্স বৃদ্ধির উপায় খোঁজা হচ্ছে'

  • প্রকাশিত ০৫:১১ সন্ধ্যা এপ্রিল ২০, ২০১৯
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। ফাইল ছবি।

'এই দুই পেশাজীবীদের আয়ের বিষয়টি এখনো সকলের কাছে পরিষ্কার নয়'

চিকিৎসক ও আইনজীবীদের ট্যাক্স বৃদ্ধির উপায় খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। 

শনিবার সিলেটের একটি হোটেলে ২০১৯-'২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, "এই দুই পেশাজীবীদের আয়ের বিষয়টি এখনো সকলের কাছে পরিষ্কার নয়। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতালগুলো তাদের আয়ের তুলনায় কম ট্যাক্স প্রদান করায় তাদের উপরও ট্যাক্স বাড়ানো যায় কিনা- এর উপায় খোঁজা হচ্ছে"।

মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া আরও বলেন, "বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ট্যাক্স-ভ্যাট এমনভাবে জড়ানো থাকে যে সেসব দেশের জনগণ এর জাল থেকে বের হতে পারে না। কিন্তু আমাদের দেশে মাত্র ১ শতাংশ জনগণ নিয়মিত ট্যাক্স প্রদান করে। আমাদের হিসেব মতে, মোট জনসংখ্যার মাত্র ২০ লাখ লোক নিয়মিত আয়কর রিটার্ণ জমা দেন"।

"তবে কাগজে কলমে ২০ লাখ ট্যাক্সধারী আয়কর রিটার্ণ জমা দিলেও পরোক্ষভাবে সকলেই কোনও না কোনও ভাবে ট্যাক্স দিয়ে থাকেন। যে কারণে ‘সরকার জনগণের সরকার’ কথাটি বলে থাকে। বাংলাদেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। এতে সকল জনসাধারণের অংশগ্রহণ এবং অবদান রয়েছে", যোগ করেন তিনি।

‘এ্যাডভান্স ইনকাম ট্যাক্স’ কর আদায়ের একটি উন্নত মাধ্যম উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, "এর মাধ্যমে যারা সরাসরি করদাতা নয় তাদেরও করের আওতায় নিয়ে আসা যাবে"।

এ সময় ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে এক মাসের মধ্যে ব্যাংকের বুথ স্থাপনের ঘোষণা দেন মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। তিনি বলেন, "এখানে ব্যাংকের বুথ স্থাপন করা হলে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পর্যটকরাও সুবিধা পাবেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে"।

এছাড়াও আগামী বাজেটে কয়লা, চুনাপাথর ও পাথর আমদানীতে ব্যবসায়ীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রধান বলেও জানান।

প্রসঙ্গতঃ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের নীতিগত দিক সম্পর্কে ধারণা নিতে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কাস্টমস পলিসি) মো. ফিরোজ শাহ আলম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (করনীতি) কানন কুমার রায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (ভ্যাটনীতি) আব্দুল মান্নান শিকদার, সিলেটের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার গোলাম মোহাম্মদ মনির, সিলেটের কর কমিশনার রঞ্জিত কুমার সাহা প্রমুখ।