• বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০০ রাত

নুসরাত হত্যা: আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীনের পাঁচ দিনের রিমান্ড

  • প্রকাশিত ১০:০০ রাত এপ্রিল ২০, ২০১৯
রুহুল আমিনের রিমান্ড
শনিবার বিকালে ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আনা হয় নুসরাত হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমীনকে। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

মামলার অন্যতম দুই আসামি নুরুদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এই ঘটনায় রুহুল আমীনের সংশ্লিষ্টতা ধরা পড়ে

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে পাঁচ দিনের  রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। শনিবার রাতে  ফেনীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শরাফ উদ্দিন আহম্মেদের আদালত এই আদেশ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন পিবিআই’র চট্টগ্রাম রেঞ্জের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মোহাম্মদ ইকবাল।

তিনি জানান, শনিবার বিকালে এই আদালতে রুহুল আমীনকে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে নিজ বাড়ি থেকে রুহুল আমীনকে আটক করা হয়।

এর আগে মামলার অন্যতম দুই আসামি নুরুদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এতে রুহুল আমিনের নাম উঠে আসে।

শাহাদাত জবানবন্দিতে জানায়, নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পর সে (শাহাদাত) দৌড়ে নিচে নেমে মাদ্রাসার উত্তর দিকের পাচিল টপকে বের হয়ে যায়। এর মিনিট খানেকের মধ্যে নিরাপদ স্থানে গিয়ে রুহুল আমিনকে ফোনে নুসরাতকে আগুন দেওয়ার বিষয়টি জানায় সে। তখন রুহুল আমিন বলেন, "আমি জানি। তোমরা চলে যাও"।

রুহুল আমীনের রিমান্ড প্রসঙ্গে পিবিআই প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, "রুহুল আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এনেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।"

উল্লেখ্য, মর্মান্তিক এই ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ নুসরাত টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে গত ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান। পরদিন সকালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সোনাগাজী পৌরসভার উত্তর চরচান্দিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নুসরাতকে দাফন করা হয়।

আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।