• রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩ রাত

চিকিৎসা নিতে আসা স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ

  • প্রকাশিত ১০:২৯ সকাল এপ্রিল ২২, ২০১৯
ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

এ ঘটনায় অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় চিকিৎসা নিতে আসা ৬ষ্ঠ শ্রেনির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক পল্লী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। রবিবার উপজেলার সেজিয়া বাজারের নাজ ফার্মেসিতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

নির্যাতিত ঐ স্কুলছাত্রীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। সে নেপা ইউনিয়নের সেজিয়া গ্রামের খোদাবন্দীপাড়ার নুর মোহাম্মাদের ছেলে।

নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীর মা জানান, কয়েক দিন আগে তার মেয়ের জ্বর আসে। তবে জ্বর না কমায় চিকিৎসার জন্য শনিবার রাতে মেয়েকে নিয়ে সেজিয়া বাজারের নাজ ফার্মেসিতে যান তার বাবা। সেখানে ঐ ছাত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে পরদিন জ্বরের অবস্থা নিরীক্ষণের জন্য আবার তাকে আসতে বলেন অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক সাইফুল। 

পরের দিন সকালে সাইফুলের কথা মতো মেয়েকে নাজ ফার্মেসিতে পাঠিয়ে দেন ভুক্তভোগীর বাবা। ঐ কিশোরী সেখানে যাওয়ার পর সাইফুল তার শরীরে একটি ইনজেকশন পুশ করেন এবং একটি ট্যাবলেট খাইয়ে দেন। এতে ঐ কিশোরী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এই সুযোগে তাকে ধর্ষণ করেন সাইফুল।

পরবর্তীতে ঐ স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মিলু মিয়া বিশ্বাস বলেন, "স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পল্লী চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে"।