• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১০ রাত

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর প্রস্তাব সংসদে প্রত্যাখ্যান

  • প্রকাশিত ১২:৪৫ দুপুর এপ্রিল ২৬, ২০১৯
সংসদ
জাতীয় সংসদ। ফাইল ছবি।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করা হলে পেনশন ও অবসর সংক্রান্ত নানা জটিলতা তৈরি হবে

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে জাতীয় সংসদ।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) স্বতন্ত্র সাংসদ রেজাউল করিম (বগুড়া-৭) প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপন করেন। বাবলু তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার না করলে তা কণ্ঠভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়।

প্রস্তাবে বাবলু বলেন, বিশ্বের ১৯২টি দেশের মধ্যে ১৫৫টি দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ থেকে ৫৫ বছর। কোথাও কোথাও ৫৯ বছর, যোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দেশে এখন শিক্ষিত বেকার ২৮ লাখের বেশি, যারা তাদের পরিবারের জন্য বোঝা।

এমপি বলেন, শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে আন্দোলন করেছিল। কিন্তু তাদের রাজাকার, শিবির, জঙ্গি বানানোর চেষ্টা হয়েছিল।

চাকরি না পেয়ে অনেক যুবক মাদক, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। ‘সুতরাং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত ও তাদের পরিবারের কথা চিন্তা করে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার দাবি জানাচ্ছি,’ বলেন তিনি।

প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, সবদিক বিবেচনায় বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বয়সসীমা যৌক্তিক পর্যায়ে রয়েছে। 

তিনি দাবি করেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করা হলে পেনশন ও অবসর সংক্রান্ত নানা জটিলতা তৈরি হবে।

ফরহাদ বলেন, স্বাধীনতার পর প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ২৫ থেকে ২৭ ও পরবর্তীতে ৩০ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেশনজট না থাকায় শিক্ষার্থীরা এখন ২৩ বছর বয়সেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করছেন। সুতরাং চাকরির প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীরা ছয়-সাত বছর সময় পাচ্ছেন।