• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫২ রাত

নুসরাত হত্যাকাণ্ড : আসামি শামীমের ব্যবহৃত ল্যাপটপ ও নথিপত্র জব্দ

  • প্রকাশিত ০১:০০ দুপুর এপ্রিল ২৯, ২০১৯
নুসরাতের হত্যাকারী শামীম
নুসরাতের হত্যাকারী শাহাদাত হোসেন শামীম। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

বিবার রাতে শামীমকে নিয়ে সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়নের ভূঞা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এগুলো জব্দ করা হয়

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম প্রধান  আসামি শাহাদাত হোসেন শামীমের ব্যবহৃত ল্যাপটপ ও নথিপত্রসহ তার মায়ের মোবাইল জব্দ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

রবিবার রাতে শামীমকে নিয়ে সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া ইউনিয়নের ভূঞা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এগুলো জব্দ করা হয়।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই এডিশনাল এসপি মনিরুজ্জামান বলেন, "নুসরাত হত্যা মামলার আসামী শাহাদাত হোসেন শামীমকে নিয়ে তার বসতবাড়ি ও ভূঞাবাজারের দোকানে অভিযান চালিয়ে এগুলো জব্দ করা হয়"।

এর আগে ১৪ এপ্রিল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে নুসরাত হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন শাহাদাত হোসেন শামীম। পরে তার জবানবন্দি যাচাই করার জন্য ২৫ এপ্রিল ফেনীর আদালতে তার পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করে পিবিআই। পরে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


আরও পড়ুন: নুসরাত হত্যার কথা স্বীকার করে যা বললেন অধ্যক্ষ সিরাজ


এই ঘটনায় এই পর্যন্ত পিবিআই ২৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে। এরমধ্যে ১০ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এখনও ৬ জন রিমান্ডে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়ন করে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলা। এরপর রাফির মায়ের করা মামলায় সিরাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল রাফি আলিম পরীক্ষায় অংশ নিতে গেলে কৌশলে একটি চারতলা ভবনে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এসময় মামলা তুলে নেয়ার জন্য রাফিকে চাপ দেয় তারা। তবে তাতে কাজ না হলে রাফির শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয় সিরাজের অনুসারীরা। পরবর্তীতে গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাফি।