• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১৯ রাত

বেনামে বাসা ভাড়া নিয়েছিল সন্দেহভাজন ২ জঙ্গি

  • প্রকাশিত ০৪:১৮ বিকেল এপ্রিল ২৯, ২০১৯
উদ্ধারকৃত অস্ত্র এবং গোলাবারুদ
সন্দেহভাজন ঐ জঙ্গি আস্তানা থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

দেড়মাস ধরে ঐ বাসায় বসবাস করলেও তারা কখনোই একটানা থাকেনি

বসিলার মেট্রো হাউজিংয়ের ওই বাসাটি পরিচয় গোপন করে ভাড়া নিয়েছিল ২ ব্যক্তি। তারা তাদের নাম জানিয়েছিল সুমন এবং সুজন।

তারা বাসা ভাড়া নেবার সময় জানিয়েছিল যে তাদের একজন একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে এবং আরেকজন ভ্যানচালক। ওই বাড়ির কেয়ারটেকার সোহাগ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের র‍্যাবকে এসব তথ্য জানান বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের এডিজি (অপারেশন) কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি জানান, সন্দেহভাজন দুই জঙ্গি ১৫০০ টাকায় দেড়মাস আগে বাসাটি ভাড়া নেয়। এসময় বাড়ির মালিক ব্যাচেলরদের বাসা ভাড়া না দিতে চাইলে নিজেদের বিবাহিত বলে দাবি করে ওই দু'জন। এমনকি কিছুদিনের মধ্যেই তারা তাদের স্ত্রীকে নিয়ে আসবে বলেও বাড়ির মালিককে আশ্বাস দেয়। তবে, কখনোই স্ত্রীকে এই বাসায় আনেনি তারা। এছাড়াও দেড়মাস ধরে ওই বাসায় বসবাস করলেও তারা কখনই একটানা থাকেনি। এমনকি, বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় নিয়ম অনুযায়ী ভাড়াটিয়াদের কোনও তথ্যও তারা দেয়নি।

কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম আরো জানান, র‍্যাবের অভিযানের আগের ৩-৪ দিন বাসা ভাড়া নেয়ার পর প্রথমবারের মতো ঐ দুইজন একটানা একসাথে থাকতে শুরু করে।   

এদিকে, এখনো পর্যন্ত এই দুইজনের আসল নাম এবং পরিচয় জানা যায়নি।  এ প্রসঙ্গে কর্নেল জাহাঙ্গীর বলেন, "তাদের আসল পরিচয় এবং পেশা কী ছিল আমরা তা জানার চেষ্টা করছি"।

উল্লেখ্য, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গিদের অবস্থানের খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৩ টার দিক ঐ বাসাটি ঘিরে ফেলে র‍্যাব-২ এর সদস্যরা। পরে থেকে থেকে বোমা বিস্ফোরণ গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে ভোরবেলা পর্যন্ত।

এরপর র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে সাথে নিয়ে অভিযান শুরু করে র‍্যাব। সকাল ৯ টায় ঐ বাড়িতে প্রবেশ করে র‍্যাব। অভিযানে অন্তত ২ জন নিহত হয়েছেন বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।