• রবিবার, অক্টোবর ২০, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৩ রাত

ভয়াবহ হয়ে উঠেছে 'ফণী', গতিবেগ বেড়ে ১৮০ কিলোমিটার

  • প্রকাশিত ১২:৫২ দুপুর মে ১, ২০১৯
ঘূর্ণিঝড়
সংগৃহীত

আজ বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।  

প্রচণ্ড শক্তি সঞ্চয় করে উপকুলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’। দক্ষিণ-পশ্চিম ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব  বঙ্গোপসাগর   এলাকায় অবস্থান করা ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে আজ বুধবার বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।  

অথচ আগের দিন মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ১১০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

এ ছাড়া ঘূর্ণিঝড়টি আজ ভোর ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৭৫, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২২৫, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৫০ ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এটি আরও ঘণীভূত হয়ে উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩২৫, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৬০, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫০  ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৩০ কিলোমিটার দূরে দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থা করছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ বার্তায় বলা হয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ আরও ঘণীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। সমুদ্র বন্দরগুলোকে দুই নম্বর দুরর্বতী হুঁশয়িারি সংকতে দেখাতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।