• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩১ রাত

ত্রিপোলিতে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের দূতাবাসে নিবন্ধনের অনুরোধ

  • প্রকাশিত ১০:০৫ রাত মে ১, ২০১৯
লিবিয়া ত্রিপোলি
ত্রিপোলিতে বর্তমানে খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে ত্রিপোলিভিত্তিক গভর্নমেন্ট অফ ন্যাশনাল একর্ডের যুদ্ধ চলছে। ছবি: এএফপি

"আমরা এরইমধ্যে ৩০০ বাংলাদেশিকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়েছি। কারণ, যেসব জায়গায় যুদ্ধ হচ্ছে তার খুব কাছে তারা অবস্থান করছিল।"

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় আগাম সতর্ক ব্যবস্থা হিসেবে সেখানে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদেরকে বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তাদেরকে প্রয়োজনে যেন দ্রুত সরিয়ে নেওয়া যায়, সেজন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, "ত্রিপোলিতে পরিস্থিতি ভালো না। আমরা এরইমধ্যে ৩০০ বাংলাদেশিকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়েছি। কারণ, যেসব জায়গায় যুদ্ধ হচ্ছে তার খুব কাছে তারা অবস্থান করছিল।"

তিনি জানান, ত্রিপোলিতে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদেরকে নিবন্ধনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে পরিস্থিতির অবনতি হলে দ্রুততার সঙ্গে তাদেরকে আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় বাংলাদেশে বা অন্য কোনও নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া যায়।

এই কর্মকর্তা বলেন, "নিবন্ধনের সময়ে তাদের কাছ থেকে কাগজপত্রসহ আরও কয়েকটি তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, যেমন— তাদের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করা যায়, তারা কোথায় থাকে ইত্যাদি। আমরা এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা এবং  জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে অবহিত করেছি। তারা আমাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত।" 

সরকারের এই কর্মকর্তা জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আমরা ভালো সাড়া পাচ্ছি।

ত্রিপোলিতে প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। বর্তমানে সেখানে খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে ত্রিপোলিভিত্তিক গভর্নমেন্ট অফ ন্যাশনাল একর্ডের যুদ্ধ চলছে। এছাড়া, বেনগাজিতে প্রায় ১০ হাজারের মতো বাংলাদেশি কর্মরত আছেন, তবে সেখানে ত্রিপোলির মতো গোলযোগ নেই।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে মোয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের সময় প্রায় ৪০ হাজারের মতো বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মাধ্যমে নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।