• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

তথ্যমন্ত্রী: সাংবাদিকদের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করছি

  • প্রকাশিত ০৮:৩৮ রাত মে ২, ২০১৯
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত 'গণমাধ্যম চিত্র: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: ফোকাস বাংলা।

'আজকে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক অনেক চমৎকার'

সাংবাদিকদের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার  প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব আয়োজিত 'গণমাধ্যম চিত্র: পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ' শীর্ষক আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, "মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি চার মাস পূর্ণ হয়নি এখনও। শুরু থেকেই সাংবাদিকদের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করছি"।

"সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের ওপর গত এক-দুই বছরে কোনও ধরনের বাড়তি চাপ সৃষ্টি করা হয়নি। আজকে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক অনেক চমৎকার। তার প্রমাণ হচ্ছে, আজকের আলোচনায় আপনারা আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমার সামনে সরকারকে নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। বিতর্ক বা সমালোচনা ছাড়া কোনও রাষ্ট্র সঠিকভাবে এগুতে পারে না", যোগ করেন ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, "মালিকপক্ষের স্বার্থরক্ষার কারণে সাংবাদিকরা কাজ করতে পারছেন না। উগ্রবাদীদের হুমকি, নিউ মিডিয়ার আগ্রাসী থাবায় সাংবাদিকদের কাজ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। চাকরির নিশ্চয়তা না থাকায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে"।

এসময় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "অনলাইন মাধ্যম ১০ বছর আগে ছিল না এবং ১৫ বছর আগে একদম অনুপস্থিত ছিল। ১০ বছর আগে থেকে আমরা বাস্তবতার সঙ্গে মোকাবিলা করছি। ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য সব দেশে আইন করা হচ্ছে, এ দেশেও আইন করা হয়েছে"।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন উল্লেখ করে বক্তব্যে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, "স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্বশীলতাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমাদের দেশে ভুল সংবাদ পরিবেশনের জন্য কোনও পত্রিকা বন্ধ হয় না। ভুল তথ্য প্রদান করার জন্য পুরো টিমকে পদত্যাগ করতে হয়েছে, এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। যুক্তরাজ্যে সম্ভবত ১৬৭ বছরের পুরনো পত্রিকা, একটি ভুল সংবাদ পরিবেশনের জন্য বন্ধ করা হয়"। 

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, গাজী টিভির নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম প্রমুখ।