• রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৪ রাত

আবহাওয়া অধিদপ্তর: ধেয়ে আসছে ‘ফণী’, ঝুঁকিতে বাংলা‌দেশ

  • প্রকাশিত ০৫:২১ সন্ধ্যা মে ৩, ২০১৯
ঘূর্ণিঝড় ফণী
ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে খুলনা অঞ্চলের নদ-নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। (শুক্রবারের ছবি/ফোকাস বাংলা)

প্রয়োজনে দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেতও দেখানো হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উপকূ‌লবর্তী এলাকার জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

পুরোদমে আঘাত না হানলেও দেশের উপকূলীয় এলাকায় ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব। শুক্রবার (৩ মে) বাগেরহাটে দমকা হাওয়ায় গাছের ডাল পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক গৃহবধূ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই মুহূর্তে সর্ব‌নিম্ন গ‌‌তি‌বেগ ঘণ্টায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার এবং স‌র্বোচ্চ ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গ‌তি‌বেগ থাক‌তে পা‌রে। ক্রমশঃই ঝড়টি শ‌ক্তিশা‌লী রূপ নি‌চ্ছে এবং গ‌তিপথ প‌রিব‌র্তিত হ‌চ্ছে। 

অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে ঝ‌ড়ো হাওয়া ও জ‌লোচ্ছ্বাসসহ বাংলাদেশে তাণ্ডব শুরু করতে পারে ‘ফণী’। দেশে এটি অবস্থান করতে পারে ৬ থে‌কে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত। 


আরও পড়ুন- বাগেরহাটে ‘ফণী’র প্রভাব, নিহত ১


ঝড়ের সময় উপকূ‌লবর্তী এলাকার জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়ার জন্য বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শামসুদ্দিন আহমেদ আরও জানান, বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি খুলনা থেকে ৪৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করেছে। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে। ধেয়ে আসার সময় এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

প্রয়োজনে দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেতও দেখানো হতে পারে বলে জানান তিনি।


 আরও পড়ুন- ভারতের ওড়িশায় ‘ফণী’র তাণ্ডব, নিহত ২ (ভিডিও) 


‘ফণী’র প্রভাবে খুলনা, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং নোয়াখালী জেলার নদীগুলোতে চার থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। এসব এলাকায় ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক।