• মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০২ বিকেল

ঢাকায় পৌঁছেছে সুবীর নন্দীর মরদেহ, শেষকৃত্য সবুজবাগে

  • প্রকাশিত ১০:৪০ সকাল মে ৮, ২০১৯
সুবীর নন্দী
সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দী। ফাইল ছবি।

শ্রোতাদের তিনি উপহার দিয়েছেন ‘দিন যায় কথা থাকে’, ‘কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো’, ‘আমার এই দুটি চোখ পাথর তো নয়’ এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় সব গান

বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। 

বুধবার সকালে তার মরদেহ ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার গ্রিন রোডের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

সকাল ১১টায় তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এরপর দুপুর ১২টায়  শিল্পীর মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হবে এফডিসিতে। সেখান থেকে নেওয়া হবে রামকৃষ্ণ মিশনে। তার শেষকৃত্য হবে রাজধানীর সবুজবাগের বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির ও শ্মশান । 

মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে ৬৬ বছর বয়সে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে গুণী এই শিল্পী শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে তিনি। 

গত ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে  সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এর আগে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপতালে (সিএমএইচ) দুই সপ্তাহ ভর্তি ছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এই সংগীতশিল্পী।

সুবীর নন্দী ও তার নয় ভাইবোন ওস্তাদ বাবর আলী খান থেকে সংগীত শেখেন। তিনি ১৯৭২ সালে তাঁর প্রথম গান রেকর্ড করেন।গানটি লেখেন মোহাম্মদ মুজাককার আর এটি কম্পোজ করেন ওস্তাদ মীর কাসেম। তার গাওয়া অনেক জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘তুমি এমনি জাল পেতেছ সাংসরে’, ‘আমার এই দুটি চোখ পাথর তো নয়’, ‘এক যে ছিল সোনার কন্যা’ এবং ‘ও আমার উড়াল পঙ্খীরে’ উল্লেখযোগ্য।

চার দশকে ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় দুই হাজার ছবিতে গান করেন।সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের পর তিনিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছবিতে গান গাওয়ার রেকর্ড করেন। এছাড়া ১৯৯৪ সালে সুবীর নন্দী হাউজ অব কমন্সে গান গেয়েছিলেন। সুবীর নন্দী পাঁচবার প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার লাভ করেন। তার পুরস্কার পাওয়া ছবিগুলো হলো- মহানায়ক (১৯৮৪), শুভদা (১৯৮৬), শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), মেঘের পরে মেঘ (২০০৪) ও মহুয়া সুন্দরী (২০১৫)।

২০১৯ সালে সুবীর নন্দী বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা ‘একুশে পদকে’ ভূষিত হোন।