• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০৯ বিকেল

প্রতিমন্ত্রী: ঘূর্ণিঝড় ফণীতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৫৩৬ কোটি টাকা

  • প্রকাশিত ০৬:০৪ সন্ধ্যা মে ৯, ২০১৯
ফণী
ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। ছবি: ফোকাস বাংলা

'ফণী কবলিত এলাকায় কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং তাদেরকে ভর্তুকি দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে'

চলতি মাসের শুরুর দিকে দেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ৫৩৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ফণীর কারণে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ধারণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনা নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ঘূর্ণিঝড়ে ৬৩ হাজর হেক্টর জমি প্লাবিত এবং এক হাজর ৮০০ হেক্টর জমির ফসলহানি হয়েছে। কৃষি বিভাগের মোট ক্ষতির পরিমাণ ৩৮ কোটি টাকা। এজন্য ফণী কবলিত এলাকায় কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং তাদেরকে ভর্তুকি দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে"।

এছাড়া, দুই কোটি ৮৪ লাখ টাকার মাছ এবং পাঁচ কোটি টাকার বন ও পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ডা. এনামুর রহমান।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, "দেশের ২৪০ জায়গায় ২১ দশমিক ৯৫ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মেরামতে ২৫১ কোটি টাকা ব্যয় হবে। আর এলজিআরডির রাস্তার ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৬১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা"।

"ঘূর্ণিঝড়ে দুই হাজার ৬৩টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে, যা মেরামতে ৭৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয় হবে", যোগ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দ্রুত পুনর্বাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এসময় জানান ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী। সভায় কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ এ ঘূর্ণিঝড়ে ফসল, রাস্তা, পরিবেশ ও মাছের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।